সবজি
বৃষ্টিতে সরবরাহ কমে চড়া বাজার, কিছু সবজির দাম কমেছে
বৃষ্টি ও দুর্গাপূজার দীর্ঘ ছুটিতে গেল সপ্তাহে ঢাকায় সবজির সরবরাহ কিছুটা কমে গিয়েছিল। সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাজারে সবজির দাম বেড়ে গেলেও, সপ্তাহ শেষে দাম কিছুটা কমতে শুরু করেছে। তবে বাজারের চড়া ভাব এখনো কাটেনি।
সবজি বিক্রেতারা বলছেন, শীতের আগাম কিছু সবজি বাজারে আসায় সরবরাহ ধীরে ধীরে বাড়ছে। এতে অনেক সবজির কেজি প্রতি দাম ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে
ঢাকায় বেশিরভাগ সবজি আসে দেশের উত্তরাঞ্চল থেকে। এছাড়া মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ ও রাজধানীর আশপাশের নিচু জমি থেকেও কিছু তরিতরকারি সরবরাহ হয়।
যাত্রাবাড়ী দেশের অন্যতম বড় সবজি আড়ৎ। এখান থেকে পাইকাররা সবজি কিনে শহরের বিভিন্ন খুচরা বাজারে বিক্রি করেন। শুক্রবার এ বাজারে বরবটি বিক্রি হচ্ছিল কেজি ১০০ টাকায়, পটল ৭০ টাকায়, করলা ৮০ টাকায় এবং পেঁপে ৩০ টাকায়। মাঝারি আকারের লাউ বিক্রি হচ্ছিল ৬০ থেকে ৭০ টাকায়।
শনিরআখড়া বাজারের বিক্রেতা কল্পনা আক্তার বলেন, “বাজারে এখন মাল (সবজি) ভালোই আছে। দুই এক দিনের মধ্যে দাম আরও কমবে। শুক্রবারে চাহিদা বেশি থাকে, তাই একটু দাম বাড়ে। তবে আগের সপ্তাহের তুলনায় এখন কিছুটা কমেছে। আগের সপ্তাহে পটল ৮০-৯০ টাকায় বিক্রি করেছি, এখন ৭০ টাকায় দিচ্ছি। বরবটি ১২০ থেকে নেমে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।”
আলুর দাম সবচেয়ে কম
সবজির মধ্যে সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে আলু। ভ্যানে ফেরি করে প্রতিকেজি ১৫ থেকে ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল। দোকানে দাম একটু বেশি, কেজি ২০ থেকে ২৫ টাকা।
শনিরআখড়া বাজারে গোল বেগুন বিক্রি হচ্ছিল কেজি ১৬০ টাকায়, লম্বা বেগুন ১০০ টাকায় এবং ঢেঁড়স ৭০ টাকায়। বিক্রেতারা বলছেন, গত সপ্তাহের তুলনায় এসব সবজির দাম কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা কমেছে।
শীতের আগাম সবজির মধ্যে মুলা বিক্রি হচ্ছিল কেজি ৮০ টাকায়, ছোট আকারের বাঁধাকপি ৫০ টাকায়। শিমের দাম কেজি ১৬০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে।
আমদানি করা টমেটোর কেজি ১৩০ টাকা এবং গাজর ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল।

