কাঁচা বাজার
বাজার স্থিতিশীল রাখতে ট্যারিফ কমিশনের নতুন সুপারিশ
ডিম, পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচের বাজারে অস্থিরতা ঠেকাতে এবং ভোক্তাদের স্বস্তি দিতে নীতিগত কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন। আজ বৃহস্পতিবার কমিশন বাণিজ্যসচিবকে পাঠানো এক চিঠিতে এই সুপারিশ করেছে।
কমিশনের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, এক ডজন ডিমের দাম ১৫০ টাকা ছাড়িয়ে গেলে আমদানির অনুমতি দেওয়ার পাশাপাশি শুল্ক ও কর ছাড় দেওয়া উচিত। গত কয়েকদিনের বাজার চিত্রে দেখা গেছে, রাজধানীর খুচরা বাজারে ডিমের দাম ডজনপ্রতি ১৪০ টাকার আশপাশে ঘোরাফেরা করছে। এর আগে ডিমের দাম ১৫০ টাকার ওপরে চলে গিয়েছিল, যা নিয়ে ভোক্তাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়।
শুধু ডিম নয়, পেঁয়াজের ক্ষেত্রেও একই ধরনের পদক্ষেপের প্রস্তাব দিয়েছে ট্যারিফ কমিশন। তারা জানিয়েছে, কেজিপ্রতি পেঁয়াজের দাম ৯০ টাকা ছাড়ালে আমদানির অনুমতি এবং শুল্ক-কর ছাড় কার্যকর করা উচিত। বর্তমানে রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে পেঁয়াজ মানভেদে ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে গত অর্থবছরে দেশে ৪৪ লাখ ৪৮ হাজার ৭০০ টন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে। কমিশনের ভাষ্য অনুযায়ী, সময়মতো আমদানির সুযোগ দেওয়া হওয়ায় বাজারে পেঁয়াজের মূল্য ও সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে।
এদিকে কাঁচা মরিচের দাম কিছুদিন ধরে ঊর্ধ্বমুখী। রাজধানীর বাজারে কেজিপ্রতি ২২০ থেকে ২৬০ টাকায় কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে ট্যারিফ কমিশন চলতি মাসের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মরিচ আমদানিতে ২০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহারের প্রস্তাব দিয়েছে। একই সঙ্গে তারা সুপারিশ করেছে, কাঁচা মরিচ আমদানির ক্ষেত্রে শুল্কায়নযোগ্য মূল্যের পরিবর্তে প্রকৃত বিনিময়মূল্যকে শুল্কায়নের ভিত্তি ধরা হোক। এতে আমদানিকারকরা বাস্তব দামে পণ্য আনতে পারবে এবং বাজারে সরবরাহ বাড়লে দামও নিয়ন্ত্রণে আসবে।
সবজি বাজার নিয়েও কমিশন মত দিয়েছে। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে বাজার পর্যবেক্ষণ আরও জোরদার করার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি। তাদের মতে, সবজির উৎপাদন খর

