ভারতের, যুক্তরাষ্ট্র
ভারতের বিরুদ্ধে শুল্কে ইউরোপকেও চাইছে যুক্তরাষ্ট্র
রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল কেনা অব্যাহত রাখায় ভারতের ওপর শাস্তিমূলক শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। হোয়াইট হাউসের দাবি, ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধের সময় রাশিয়ার তেল কেনা মানে সরাসরি মস্কোকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া। এ কারণে শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইউরোপীয় দেশগুলোকেও ভারতের বিরুদ্ধে একই ধরনের ব্যবস্থা নিতে আহ্বান জানাচ্ছে ওয়াশিংটন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, হোয়াইট হাউস চাইছে ইউরোপ ভারত থেকে সব ধরনের তেল ও গ্যাস কেনা বন্ধ করুক। পাশাপাশি ভারতের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের দাবি জানানো হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের অভিযোগ, ইউরোপের কিছু নেতা প্রকাশ্যে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে মার্কিন উদ্যোগকে সমর্থন করলেও, গোপনে তারা আলাস্কা শীর্ষ সম্মেলনের পর থেকে হওয়া অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছেন। এ কারণে ইউরোপীয় নীরবতায় হোয়াইট হাউস ধৈর্য হারাচ্ছে।
মার্কিন প্রশাসনের মতে, রাশিয়ার জ্বালানি কেনা অব্যাহত রাখায় যুদ্ধের অর্থায়ন আরও শক্তিশালী হচ্ছে। তাই মস্কোকে আন্তর্জাতিকভাবে চাপের মুখে ফেলতে হলে ভারত ও চীনের মতো বড় ক্রেতাদের সীমিত করতে হবে।
ভারত যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত শুল্কের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে। নয়াদিল্লি বলছে, পশ্চিমা বিশ্ব দ্বিমুখী আচরণ করছে। ভারতের অভিযোগ, চীন রাশিয়ার সবচেয়ে বড় তেল ক্রেতা হলেও তার বিরুদ্ধে কোনো শুল্ক আরোপ করা হয়নি। একইভাবে, ইউরোপের অনেক দেশও এখনও মস্কো থেকে জ্বালানি কিনছে, অথচ যুক্তরাষ্ট্র তাদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
ভারতীয় কর্মকর্তাদের মতে, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাশিয়ার তেল আমদানি অপরিহার্য। সাশ্রয়ী মূল্যে অপরিশোধিত তেল কেনার সুযোগ থেকে ভারত পিছিয়ে আসবে না। পশ্চিমাদের এ ধরনের চাপ তারা অন্যায্য ও বৈষম্যমূলক বলে মনে করছে।
এদিকে, এই অচলাবস্থার মধ্যে এশিয়ার ভূরাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে। সাংহাই সহযোগিতা সংস্à¦

