ছবি: সংগৃহীত
সাবেক এমপিদের আনা ২৪টি গাড়ির নিলামে অনাগ্রহ, সিদ্ধান্ত যাবে উপদেষ্টা পরিষদে
সাবেক সংসদ-সদস্যদের শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানি করা বিলাসবহুল ২৪টি গাড়ি এখন চট্টগ্রাম কাস্টমস ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। একবার নিলামে তোলা হলেও উপযুক্ত দাম না পাওয়ায় এবং আইনগত জটিলতায় দ্বিতীয় দফায় নিলাম থেকে পিছিয়ে এসেছে কাস্টমস। ফলে বছরের পর বছর বন্দরের শেডে পড়ে থেকে এসব গাড়ির অবস্থা অবনতি ঘটছে। এতে যেমন রাজস্ব আদায়ে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে, তেমনি রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয়ের ঝুঁকিও বাড়ছে।
চট্টগ্রাম কাস্টমসের সূত্র জানায়, এসব গাড়ির সবই ৩ হাজার ৩৪৬ সিসির টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার, যেগুলোর প্রতিটির সংরক্ষিত মূল্য ধরা হয়েছে ৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রথমবার এসব গাড়ি নিলামে তোলে কাস্টমস। তবে ২৪টি গাড়ির মধ্যে ১০টির বিপরীতে কোনো বিডই জমা পড়েনি। বাকি ১৪টির বিড মূল্যও ছিল অপ্রতুল—সংরক্ষিত মূল্যের মাত্র ০.১০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ৩২ শতাংশ পর্যন্ত।
নিলামে সবচেয়ে কম দর পাওয়া গাড়িটি হলো গাজীপুর-৫ আসনের সাবেক সংসদ-সদস্য আখতারউজ্জামানের ল্যান্ড ক্রুজার, যেটির বিপরীতে বিড ওঠে মাত্র ১ লাখ টাকা, যেখানে সংরক্ষিত মূল্য ছিল ৯ কোটি ৬৭ লাখ। অন্যদিকে, খুলনা-৩ আসনের সাবেক সংসদ-সদস্য এস এম কামাল হোসেনের গাড়ির সর্বোচ্চ দর উঠে ৩ কোটি ১০ লাখ টাকা। এছাড়া রংপুর-১ আসনের আসাদুজ্জামানের গাড়ির দর ওঠে ২ কোটি ৪৫ লাখ, মজিবুর রহমানের গাড়ির দর ২ কোটি ৬০ লাখ ও সুনামগঞ্জ-৪ আসনের মোহাম্মদ সাদিকের গাড়ির দর ওঠে ২ কোটি ১০ লাখ টাকা।
তবে কিছু গাড়ির বিড একেবারেই অল্প—শাম্মী আহমেদের গাড়ির দর ৩০ লাখ, তারানা হালিমের ৫ লাখ, সাজ্জাদুল হাসানের ৩০ লাখ, এ বি এম আনিসুজ্জামানের ৫ লাখ, তৌহিদুজ্জামানের ২০ লাখ, শাহ সারোয়ার কবীরের দেড় কোটি এবং জান্নাত আরা হেনরীর গাড়ির দর ৫ লাখ টাকা।
আইনি জটিলতায় দ্বিতীয় দফা নিলামে অনাগ্রহ
প্রথম দফায় ৬০ শতাংশ বিড মূল্য না পাওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী দ্বিতীয় দফায় নিলামে তোলার সুযোগ থাকলেও কাস্টমস কর্তৃপক্ষ এতে অনাগ্রহী। কারণ, দ্বিতীয় দফাà

