ছবি : সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেস শহরে অভিবাসনবিরোধী অভিযানের প্রতিবাদে ছড়িয়ে পড়া ব্যাপক বিক্ষোভ ও সংঘর্ষের মধ্যে সেখানে অস্থায়ীভাবে প্রায় ৭০০ মেরিন সেনা মোতায়েন করতে যাচ্ছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। সোমবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের নির্দেশে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সেনাদের এই মোতায়েন চলবে ন্যাশনাল গার্ডের অতিরিক্ত সেনাবাহিনী না পৌঁছানো পর্যন্ত। যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহৎ এই শহরে ট্রাম্পের কঠোর অভিবাসন নীতির প্রতিক্রিয়ায় এটি আরও এক দৃশ্যমান উদাহরণ হয়ে উঠেছে।
সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার সামরিক ঘাঁটি থেকে সোমবার রাত অথবা মঙ্গলবার সকালে মেরিন সেনারা লস অ্যাঞ্জেলেসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি মন্ত্রী ক্রিস্টি নোয়েম জানিয়েছেন, অবৈধ অভিবাসীদের আটক করতে আরও বিস্তৃত অভিযান চালানো হবে। এর ফলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা এই প্রতিবাদকে বেআইনি হিসেবে আখ্যায়িত করে স্থানীয় ডেমোক্র্যাট নেতাদের দায়ী করছেন। তাদের অভিযোগ, এসব নেতারা অভিবাসীবান্ধব নীতির মাধ্যমে অবৈধ অভিবাসীদের ‘আশ্রয়স্থল’ প্রদান করছেন।
রয়টার্স জানিয়েছে, এই সামরিক পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল—রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে বিভক্তিকে আরও প্রকট করেছে। রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ক্যালিফোর্নিয়ার ডেমোক্র্যাট গভর্নর গ্যাভিন নিউজমকে ফেডারেল বাহিনীর অভিযান ঠেকাতে বাধা দেওয়ায় গ্রেপ্তারের হুমকি দিয়েছেন।
এদিকে, ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্য সরকার মেরিন ও ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েনের বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিয়েছে। তাদের অভিযোগ, এই মোতায়েন অঙ্গরাজ্যের সার্বভৌমত্ব ও ফেডারেল আইন লঙ্ঘন করছে।
মার্কিন সিনেটের আর্মড সার্ভিসেস কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট সদস্য সেনেটর জ্যাক রিড বলেন, “প্রেসà

