ছবি: সংগৃহীত
গাজা উপত্যকায় হামাসের বিরুদ্ধে ‘জয়ের’ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তীব্র সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। এই অভিযানে চরম নৃশংসতার শিকার হচ্ছেন সাধারণ ফিলিস্তিনিরা। গতকাল শুক্রবার একদিনেই কমপক্ষে ১০০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই দিনে গাজায় নিহতের সংখ্যা ২৫০ ছাড়িয়েছে। এ সময় উত্তর গাজায় ইসরায়েলি বাহিনী ব্যাপক গোলাবর্ষণ ও বিমান হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, শুক্রবার গাজায় ১৫০টির বেশি লক্ষ্যবস্তুতে তারা হামলা চালিয়েছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের ইসরায়েল অভিযানের পর থেকে গাজায় এই দমনাভিযান শুরু হয়। সেই হামলায় ইসরায়েলে প্রায় ১,২০০ জন নিহত হন এবং হামাস প্রায় আড়াই শ জনকে জিম্মি করে। এরপর থেকেই গাজায় ধারাবাহিকভাবে বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েল।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, চলমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত ৫৩ হাজার ১১৯ জন নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। আহতের সংখ্যা ১ লাখ ১৯ হাজার ৯১৯ জন ছাড়িয়েছে।
এছাড়া, গত ২ মার্চ থেকে গাজায় কোনো ধরনের ত্রাণ সহায়তা প্রবেশ করতে দিচ্ছে না ইসরায়েল, যার ফলে সেখানে খাবার, পানি ও ওষুধসহ জরুরি পণ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজার মানুষের সহায়তার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। কাতারের রাজধানী দোহায় এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “গাজার মানুষ এখন অনাহারে ভুগছে। আমি বিশ্বাস করি, আগামী এক মাসে অনেক ভালো কিছু ঘটবে।”
তবে ট্রাম্প ইসরায়েলের সামরিক কর্মকাণ্ডকে সরাসরি সমর্থন করেছেন কি না, তা স্পষ্ট করেননি। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমাদের ফিলিস্তিনিদের সাহায্য করতেও হবে।” তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র গাজার নিয়ন্ত্রণ নিলে ভালো হবে। আমরা সেখানে একটি ‘ফ্রিডম জোন’ তৈরি করতে পারি, যেখানে সবাই নিরাপদে বসবাস করতে পারবে। আমি গর্বিত হব যদি যুক্তরাষ্ট্র গাজার নিয়ন্ত্রণ নেয়।”
হামাসের ৭ অক্টোবরের হামলার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এটি মানব ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ হামলা ছিল। হামাসকে মোকাবিলা করতেই হবে। গাজার নিয়ন্ত্রণ নিতে হলে আগে à¦

