ছবি: সংগৃহীত
গত বছরের নভেম্বর থেকেই দেশে প্যাকেটজাত তরল দুধের দামে ধাপে ধাপে বেড়েছে। প্রথমে ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজের ব্র্যান্ড ‘আড়ং’ হঠাৎ করেই তাদের তরল দুধের দাম বাড়িয়ে দেয়। এক লিটার দুধের দাম ১০ টাকা এবং ৫০০ গ্রাম দুধের দাম ৫ টাকা বাড়ায় প্রতিষ্ঠানটি। এর কিছুদিন পর প্রাণসহ অন্যান্য বেসরকারি ব্র্যান্ডগুলোও তাদের দুধের মূল্য সমন্বয় করে। সর্বশেষ গত ২১ মার্চ রাষ্ট্রীয় দুগ্ধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান মিল্কভিটা তাদের দুধের দাম বাড়িয়েছে।
বর্তমানে বাজারে আড়ংয়ের স্ট্যান্ডার্ডাইজড (আংশিক প্রক্রিয়াজাত) দুধের আধা লিটারের প্যাকেট বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকায় এবং এক লিটার ১০০ টাকায়। পাস্তুরিত (সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াজাত) দুধের আধা লিটার ৬০ টাকা ও এক লিটার ১০৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। একই ব্র্যান্ডের ২৫০ গ্রামের প্যাকেটের দাম ২৫ টাকা থেকে বেড়ে ৩০ টাকা হয়েছে। অন্য কোম্পানিগুলোর দামও প্রায় একই হারে বেড়েছে।
মিল্কভিটার আধা লিটারের দুধ ৫০ টাকা থেকে বেড়ে এখন ৫৫ টাকা এবং এক লিটারের দুধ ৯০ টাকা থেকে বেড়ে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
দুধের এই মূল্যবৃদ্ধিতে ভোক্তাদের অনেকে দুধ কেনার পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছেন। খুচরা বিক্রেতারাও জানিয়েছেন, দুধের বিক্রি আগের তুলনায় কমে গেছে। তবে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবি, তারা “যৌক্তিক কারণেই” দাম বাড়িয়েছে।
মিল্কভিটার ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহিদুল ইসলাম বলেন, “২০২২ সালের পর খামারিদের কাছ থেকে দুধের ক্রয়মূল্য চার দফায় ১৩ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এখন গড়ে ৪ শতাংশ ফ্যাটযুক্ত দুধের দাম পড়ে প্রায় ৬১ টাকা প্রতি লিটার। পরিবহন ও প্রক্রিয়াজাতকরণসহ সব খরচ মিলিয়ে তা ৮২ টাকার ওপরে পড়ে যায়।”
তিনি জানান, “আমরা পরিবেশকদের ৭৮ টাকায় দিয়ে বাজারে দুধ ছাড়ি। ফলে প্রতি মাসে ২ থেকে আড়াই কোটি টাকা লোকসান হচ্ছিল। বেসরকারি কোম্পানিগুলোর মূল্য বিবেচনায় নিয়ে আমরা মন্ত্রণালয়ে দাম বাড়ানোর আবেদন করি। পরে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেয়ে দাম বাড়ানো হয়েছে।”
প্রাণ গ্রুপের বিপণন পরিচালক কামরুজ্জামান কামাল বলেন, “খামারি পর্যায়ে উৎপাদন খরচ বাড়ায় দুধের দাম বাড়াতে হয়েছে। গো-খাদ্যের দাম বেড়ে

