battery-rickshaw
ইজিবাইকে ভরসা, তবে বাড়ছে উদ্বেগও
ঢাকার বনশ্রী থেকে সদরঘাট—মাত্র কয়েক কিলোমিটারের পথ। কিন্তু বিকেলবেলা সেখানে পৌঁছাতে চরম ভোগান্তির শিকার হন শামীম আহমেদ। রাইডশেয়ারিং অ্যাপে ভাড়া ৭০০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়েও কোনো চালক রাজি হলেন না। এক ঘণ্টা ফোন, অনুরোধ, অপেক্ষা—সব শেষে শামীম চেপে বসেন এক ইজিবাইকে। ভাড়া অর্ধেক, ৩০০ টাকা।
“গুলিস্তান থেকে সদরঘাট পর্যন্ত রাস্তাটা সবসময় জ্যামে আটকে থাকে। চালকেরা জানেন এক ঘণ্টার কমে যাওয়া যায় না, তাই যেতে চান না,” বলছিলেন শামীম। “ইজিবাইক চালকেরা বরং যেতে মুখিয়ে থাকে, ভাড়াও কম।”
দ্রুত বাড়ছে ইজিবাইকের সংখ্যা
স্বল্প খরচ, সহজ প্রাপ্যতা আর চলাচলের স্বাধীনতা—এই তিন কারণে গ্রাম থেকে শহর, সব জায়গাতেই দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর হিসাবে, দেশে এখন প্রায় ৪০ লাখ ইজিবাইক চলছে।
তবে সুবিধার পাশাপাশি বাড়ছে অভিযোগও—অতিরিক্ত যান, অদক্ষ চালক আর লাগামহীন গতিতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এখনো ইজিবাইককে আনুষ্ঠানিক নিবন্ধন দেয়নি। তবে শিল্প মন্ত্রণালয়ের ‘ইলেকট্রিক ভেহিকল শিল্প উন্নয়ন নীতিমালা ২০২৫’-এ বলা হয়েছে, বিআরটিএ নির্ধারিত মান যাচাই শেষে এদের নিবন্ধন দেওয়া হবে।
পরিবেশবান্ধব, কিন্তু ঝুঁকি রয়ে গেছে
বিদ্যুচ্চালিত যানবাহন বায়ু ও শব্দ দূষণ কমাচ্ছে, কমছে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা। কিন্তু ব্যবহৃত ব্যাটারির সঠিক নিষ্পত্তি না হলে সেটি নতুন দূষণের কারণ হতে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।
পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক জিয়াউল হক বলেন, “ধোঁয়াবিহীন পরিবহন হিসেবে এটা ইতিবাচক। তবে নিয়ন্ত্রণ ছাড়া বেশি ইজিবাইক নামলে তা আবার যানজট ও দূষণ বাড়াতে পারে।”
জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমছে
বিআরটিএর তথ্য বলছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নতুন মোটরসাইকেল, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ডেলিভারি ভ্যানের নিবন্ধন কমেছে। ২০২০ সালে যেখানে ৫ লাখ নতুন মোটরসাইকেল রাস্তা

