বিজিএমইএর
এক বছরে ২৫৮টি পোশাক কারখানা বন্ধ
মাহমুদ হাসান খান আরও জানান, ভারত ও পাকিস্তানে ইউনিয়ন গঠনে যথাক্রমে ন্যূনতম ১০০ শ্রমিক বা ১০ শতাংশ এবং ২০ শতাংশ শ্রমিকের সম্মতি লাগে। “আমাদের দেশে যদি মাত্র ২০ জনের সমর্থনে ইউনিয়ন হয়, তাহলে এটি দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে দুর্বল ও অস্থিতিশীল কাঠামো হয়ে দাঁড়াবে,” বলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে শ্রমিকের সংজ্ঞা নিয়েও আপত্তি জানায় বিজিএমইএ। মাহমুদ হাসান খান বলেন, “খসড়া আইনে শ্রমিকের সংজ্ঞায় ‘কর্মচারী/কর্মকর্তা’ যোগ করা হয়েছে, যা শ্রমিক শ্রেণি ও প্রশাসনের মধ্যে বিভাজন ভেঙে দেবে। এতে সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে।”
বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমও শ্রমিকের পুরোনো সংজ্ঞা বজায় রাখার দাবি জানান। তিনি বলেন, “শ্রমিক মানে সেই ব্যক্তি, যিনি দক্ষ বা অদক্ষ যে কোনো কাজের বিনিময়ে মজুরি পান—কর্মকর্তা বা প্রশাসনিক পদে নিযুক্ত কেউ নয়।”
এ ছাড়া চট্টগ্রাম বন্দরের সেবা ফি ৪১ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্তেরও বিরোধিতা করেছে বিজিএমইএ। মাহমুদ হাসান খান বলেন, “বন্দর আগে সক্ষমতা বাড়াক, তারপর চার্জ বাড়ানো যেতে পারে। একসঙ্গে এত বৃদ্ধি করা অযৌক্তিক।”
তিনি জানান, চট্টগ্রাম বন্দর ইতিমধ্যে বছরে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা মুনাফা করছে। “একটি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান যখন লাভে আছে, তখন অতিরিক্ত চার্জ বাড়ানো বিনা কারণে রপ্তানিকারকদের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে,” বলেন তিনি।
বিজিএমইএ সভাপতি আরও বলেন, “চট্টগ্রাম বন্দরের ফি ডলারে পরিশোধ করা হয়। ১৯৮৬ সালে প্রতি ডলার ছিল ২৯ টাকার মতো, এখন তা ১২২ টাকার বেশি। অর্থাৎ টাকায় হিসাব করলে ফি ইতিমধ্যে ৩০০ শতাংশ বেড়েছে।”
সংবাদ সম্মেলনে এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন তিন বছর পিছিয়ে দেওয়ার দাবিও জানান তিনি। তার বক্তব্য, “বাংলাদেশ যদি টিকফা বা এফটিএ-এর মতো বাণিজ্যচুক্তি করতে না পারে, তবে গ্র্যাজুয়েশনের পর প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়বে। তাই তিন বছর সময় বাড়ানো দরকার।”
তিনি অভিযোগ করেন, শ্রম আইন সংস্কার ও পোশাক খাতের নানা সমস্যা নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চাইলেও তা পাননি। “এত বড় রপ

