bd-cargo
কার্গো ভিলেজের বিকল্প পথে পণ্য খালাস শুরু
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর সাময়িক সময়ের জন্য বিকল্প পথে পণ্য খালাসের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা কাস্টম হাউজ। বর্তমানে বিমানবন্দরের যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ এলাকা, অর্থাৎ গ্রাউন্ড সাপোর্ট ইকুইপমেন্ট (জিএসই) জোন দিয়ে পণ্য খালাস ও শুল্ক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
রোববার সন্ধ্যায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জনসংযোগ দপ্তর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, “আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত কার্গো ভিলেজে কার্যক্রম পুনরায় চালু করা সম্ভব না হওয়ায় অস্থায়ীভাবে বিকল্প স্থান ব্যবহার করা হচ্ছে।” এনবিআর আরও জানায়, নয় নম্বর ফটকে ‘অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড অটোমেশন সিস্টেম’-এর সংযোগ স্থাপন করা হয়েছে, যার মাধ্যমে পণ্যের শুল্কায়ন, কায়িক পরীক্ষা ও নথি যাচাইয়ের কাজ সম্পন্ন হচ্ছে। এতে ব্যবসায়ীরা অল্প সময়ের মধ্যেই তাদের পণ্য খালাস করতে পারবেন।
কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, বিকল্প এ ব্যবস্থার মাধ্যমে বিমানবন্দর কার্যক্রমে বড় ধরনের স্থবিরতা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। আগুনের পরদিন থেকেই পণ্য খালাস শুরু হওয়ায় আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। কাস্টম হাউজের কর্মকর্তারা সেখানে নিয়মিত উপস্থিত থেকে পণ্যের যাচাই-বাছাই করছেন।
শনিবার দুপুরে শাহজালালের আমদানি কার্গো ভিলেজে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের ৩৭টি ইউনিটসহ পুলিশ, র্যাব, আনসার, বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনীর সদস্যরা যৌথভাবে কাজ করে রাত ৯টার কিছু পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। তবে ধোঁয়া ও জ্বলন্ত সামগ্রী পুরোপুরি নিভাতে আরও ২৭ ঘণ্টা সময় লাগে।
রোববার বিকেলে ফায়ার সার্ভিসের অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, “আগুন পুরোপুরি নেভাতে ২৭ ঘণ্টা সময় লেগেছে। আগুনের উৎস এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে।”
এ অগ্নিকাণ্ডে আমদানি করা বিভিন্ন পণ্য, বিশেষ করে ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল, ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ, টেক্সটাইল সামগ্রী এবং শিল্পখাতের প্রয়োজনীয় উপকরণ পুড়ে গেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, ক্ষতà¦

