কার্গো কমপ্লেক্সে আগুন
কার্গো ভিলেজে অগ্নিকাণ্ড: পোশাক, ওষুধ ও শিল্প খাতে বিপুল ক্ষতি
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ আগুনে দেশের অন্যতম রপ্তানি খাত পোশাক শিল্প ও ওষুধ শিল্পে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শনিবার দুপুরে লাগা এ আগুন প্রায় সাত ঘণ্টা জ্বলতে থাকে, আর পুরোপুরি নেভাতে সময় লেগেছে ২৭ ঘণ্টা।
বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসান জানান, তার প্রতিষ্ঠানের ৫০০ ডলারের লেস পুড়ে গেছে। কিন্তু প্রকৃত ক্ষতির অঙ্ক এর চেয়ে বহু গুণ বেশি। তার হিসাব অনুযায়ী, নতুন করে লেস বিদেশ থেকে আনতে হলে খরচ হবে ১৫ থেকে ১৬ হাজার ডলার, আর দেরিতে সরবরাহের কারণে ক্রেতার দাবি অনুযায়ী ছাড় দিতে হলে ক্ষতি হবে ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত।
তিনি বলেন, “আমার ৫০০ ডলারের লেস পুড়েছে ঠিকই, কিন্তু প্রকৃত ক্ষতি ১৬ হাজার ডলারের কম নয়। দেশের সবচেয়ে বড় বিমানবন্দরে এমন অগ্নিকাণ্ড মানে রপ্তানিকারকদের জন্য ভয়াবহ ধাক্কা।”
বছরে দুই কোটি ডলারের বেশি রপ্তানি করা এ উদ্যোক্তা জানান, এই আগুন শুধু তাত্ক্ষণিক ক্ষতি নয়, ভবিষ্যতের অর্ডারেও প্রভাব ফেলবে। “আমার নতুন অর্ডারের নমুনা আসার কথা ছিল, জানি না পুড়েছে কিনা। নমুনা না পেলে অর্ডার অন্য দেশেও চলে যেতে পারে,” বলেন তিনি।
বিজিএমইএর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ইনামুল হক রোববার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ঘুরে এসে বলেন, “আমরা ভেতরে গিয়ে ভয়াবহ অবস্থা দেখেছি। পুরো আমদানি সেকশনটাই পুড়ে গেছে। এই জায়গা সচল করতে কমপক্ষে ১৫ দিন থেকে এক মাস সময় লাগবে।”
আগুনে শুধু পোশাক শিল্প নয়, ওষুধ খাতেও বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটেছে। ডেল্টা ফার্মা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. জাকির হোসেন জানান, তার প্রতিষ্ঠানের প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকার কাঁচামাল পুড়ে গেছে। “আমাদের ইনসুলিন, ক্যান্সার ওষুধ, টিকা– এসব পণ্য আসে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত কক্ষে। সেটি পুড়ে যাওয়ায় বড় সংকট তৈরি হতে পারে,” বলেন তিনি।
তিনি আরও জানান, “আমà¦

