গাড়ি
পাঁচ বছরে বিক্রি বেড়েছে ৭৭ শতাংশ
দেশে স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিক্যাল বা এসইউভি গাড়ির জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে। গত পাঁচ বছরে এই ধরনের গাড়ির বিক্রি বেড়েছে প্রায় ৭৭ শতাংশ। শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বব্যাপীও একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। ২০২৩ সালে বিশ্বে যত গাড়ি বিক্রি হয়েছে, তার প্রায় অর্ধেকই ছিল এসইউভি মডেলের।
খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, দেশের অর্থনীতি বড় হওয়ায় একটি শ্রেণির মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে। পাশাপাশি দীর্ঘ ভ্রমণে এসইউভি গাড়ির আরামদায়কতা এবং পারিবারিক ব্যবহারের উপযোগিতাও চাহিদা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে। যাঁরা আগে সেডান গাড়ি ব্যবহার করেছেন, তাঁদের অনেকেই এখন এসইউভিতে ঝুঁকছেন।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে দেশে ৪ হাজার ৮৮৮টি এসইউভি নিবন্ধিত হয়েছিল। ২০২৪ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৬৪৮টিতে। অর্থাৎ পাঁচ বছরে এসইউভি নিবন্ধন বেড়েছে প্রায় ৭৭ শতাংশ। চলতি বছরের ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত নিবন্ধিত হয়েছে ৮ হাজারেরও বেশি এসইউভি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি টয়োটা ব্র্যান্ডের, ২৩ হাজারের বেশি। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে নিশান, প্রায় ৬ হাজার গাড়ি নিয়ে।
আন্তর্জাতিকভাবে একই চিত্র। ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি (আইইএ) জানায়, ২০২৩ সালে বিশ্বে গাড়ি বিক্রির ৪৮ শতাংশই ছিল এসইউভি। ওই বছর বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারেও এসইউভি প্রাধান্য পেয়েছে, নতুন নিবন্ধিত ইভিগুলোর ৫৫ শতাংশের বেশি ছিল এই মডেলের।
আইইএর তথ্য বলছে, ২০১৪ সালে প্রচলিত জ্বালানিচালিত এসইউভি বিক্রি হয়েছিল ১ কোটি ৮১ লাখ, আর বৈদ্যুতিক এসইউভি বিক্রি হয়েছিল ৪০ লাখ। ২০২৩ সালে জ্বালানিচালিত এসইউভি বিক্রি বেড়ে হয় ২ কোটি ৯৪ লাখ, আর বৈদ্যুতিক এসইউভি বিক্রি হয় ৭৮ লাখ। একই সময়ে সেডান গাড়ির বিক্রি কমে ৬ কোটি ৫ লাখ থেকে নেমে আসে ৪ কোটিতে।
র্যাংগস লিমিটেডের বিপণন বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ ফাহিম হোসেন বলেন, “বিশ্বজুড়ে এসইউভির বিক্রি বাড়ছে। আমরাও বাজারের চাহিদা মেটাতে উৎপাদন বাড়িয়েছি। দীর্ঘ সময় ভ্রমণের জন্য এসইউভি আরামদায়ক। দেশে সেডান ও এসইউভির ওপর কর হার à

