Gold bar
বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা, রেকর্ড উচ্চতায় স্বর্ণের দাম
বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে নিরাপদ বিনিয়োগের সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। আন্তর্জাতিক বাজারে দামের উর্ধ্বগতির ফলে দেশেও স্বর্ণের দাম হু হু করে বাড়ছে, তবে বিক্রি কমে গেছে প্রায় অর্ধেক।
বুধবার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আউন্সপ্রতি স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ডলার ছাড়িয়েছে। দেশে এক মাসের ব্যবধানে ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম বেড়েছে প্রায় ৩৫ হাজার টাকা। আগস্টের শেষে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি গ্রাম বিক্রি হয়েছিল ১৪ হাজার ৯৪৫ টাকায়। বুধবার তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৭ হাজার ৯২৭ টাকায়। অর্থাৎ প্রতি গ্রামে বেড়েছে ২ হাজার ৯৮২ টাকা বা প্রায় ২০ শতাংশ।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, স্বর্ণের এই ঊর্ধ্বগতির কারণে দেশের বাজারে গয়না বিক্রি ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশ কমেছে।
কেন বাড়ছে স্বর্ণের দাম
বিশ্বব্যাপী অস্থির সময়গুলোতে স্বর্ণকে ঐতিহ্যগতভাবে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হয়। চলতি বছর এখন পর্যন্ত বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বেড়েছে প্রায় ৫৪ শতাংশ, যেখানে ২০২৪ সালে এই হার ছিল ২৭ শতাংশ।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার কমানোর ইঙ্গিত দেওয়ায় ডলারের মান কিছুটা কমেছে। এতে বিনিয়োগকারীরা মুনাফা ধরে রাখতে স্বর্ণে ঝুঁকছেন। পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ, ইউক্রেইন সংঘাত, ফ্রান্স ও জাপানের রাজনৈতিক অস্থিরতা—এসব কারণে বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণকে ‘নিরাপদ আশ্রয়’ হিসেবে বেছে নিচ্ছেন।
বেশ কয়েকটি দেশ ডলারের মান ধরে রাখতে এবং মুদ্রার স্থিতি বজায় রাখতে স্বর্ণের মজুত বাড়াচ্ছে। চীন ও ভারত এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে। এর ফলে স্বর্ণ আমদানির ব্যয়ও বেড়েছে, যা বাংলাদেশের বাজারে দামের ওপর প্রভাব ফেলেছে।
দেশে স্বর্ণের বাজার
বাংলাদেশে ব্যবহৃত স্বর্ণের বেশিরভাগই আসে অপ্রাতিষ্ঠানিক পথে, যার বড় অংশ চোরাইভাবে প্রবেশ করে। প্রবাসীরাও কিছà

