ছবি: সংগৃহীত
রয়্যাল সোসাইটির চাপে বিব্রত যুক্তরাজ্যের বিজ্ঞান মহল
যুক্তরাজ্যের সম্মানজনক বিজ্ঞান সংস্থা রয়্যাল সোসাইটি থেকে মার্কিন ধনকুবের ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ইলন মাস্ককে পদত্যাগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। বিজ্ঞান ও গবেষণায় ট্রাম্প প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ঠেকাতে ব্যর্থ হলে তিনি যেন নিজে থেকে সরে দাঁড়ান— এমনই পরামর্শ দেওয়া হয় তাকে।
ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। রয়্যাল সোসাইটির বর্তমান ও সাবেক সদস্য, বিজ্ঞানী এবং ফেলোদের মধ্যে মাস্কের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড ও অবস্থান নিয়ে গভীর অসন্তোষ বিরাজ করছে বলেই জানা গেছে।
২০১৮ সালে মহাকাশ ও বৈদ্যুতিক গাড়ি শিল্পে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে মাস্ককে যুক্তরাজ্যের জাতীয় বিজ্ঞান সংস্থা রয়্যাল সোসাইটির ফেলো (FRS) করা হয়েছিল। তবে গত এক বছরে তার বিভিন্ন বিতর্কিত মন্তব্য, রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ও ট্রাম্প প্রশাসনের প্রতি নরম মনোভাব নিয়ে সংস্থার মধ্যে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বিতর্কের মূল কারণ
মূলত, যুক্তরাষ্ট্রে বিজ্ঞান গবেষণা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অর্থ সংকোচন এবং গবেষণায় হস্তক্ষেপের অভিযোগ ওঠে ‘ডিপার্টমেন্ট অফ গভর্নমেন্ট এফিসিয়েন্সি’ (DoGE) নামে এক নতুন প্রশাসনিক বিভাগের বিরুদ্ধে। এই বিভাগের প্রধান পদে মাস্কের সম্পৃক্ততা এবং ট্রাম্প প্রশাসনের একাধিক বিজ্ঞানবিরোধী নীতির সঙ্গে তার নীরবতা বা মদদই ফেলোদের দৃষ্টিতে সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়।
এ নিয়ে রয়্যাল সোসাইটির একাধিক ফেলো খোলা চিঠিতে প্রতিবাদ জানান, কেউ কেউ ফেলোশিপ ত্যাগ করেছেন, এমনকি নিজেদের প্রাপ্ত পুরস্কারও ফিরিয়ে দিয়েছেন। তারা অভিযোগ করেছেন, মাস্ক সংস্থার আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন, কিন্তু রয়্যাল সোসাইটি কোনো তদন্তেই যায়নি।
সরাসরি চিঠি দেন প্রেসিডেন্ট-ইলেক্ট স্যার পল নার্স
২০২৫ সালের মার্চে রয়্যাল সোসাইটির প্রেসিডেন্ট-ইলেক্ট স্যার পল নার্স মাস্ককে প্রথম একটি চিঠি লেখেন, যেখানে তà¦

