ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিয়েছেন, ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে একটি পূর্ণ যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। তার এই ঘোষণার পরপরই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।
বিবিসি ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ব্রেন্ট শ্রেণির অপরিশোধিত তেলের দাম মঙ্গলবার আরও ৪ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ৬৮ ডলারের কাছাকাছি নেমে এসেছে। সোমবারের ট্রেডিং সেশনে ইতোমধ্যেই ৭ শতাংশ দাম কমেছিল। এর ফলে, তেলের দাম এখন এমন এক স্তরে পৌঁছেছে যা ১২ জুনের চেয়েও কম—সেদিন ইসরাইল প্রথম ইরানে সামরিক হামলা চালিয়েছিল।
বিশ্লেষকরা বলছেন, যুদ্ধবিরতির খবরে তেলের দাম হ্রাস পাওয়ার পেছনে মূলত বাজারে স্থিতিশীলতার প্রত্যাশা কাজ করেছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হলে তেলের সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে দাম হঠাৎ বেড়ে যায়। তবে বর্তমানে যুদ্ধ বন্ধের সম্ভাবনা বাজারে স্বস্তি ফিরিয়েছে।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য স্থিতিশীলতার ইঙ্গিতে এশিয়ার শেয়ারবাজারগুলোতে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। টোকিওর নিকেই সূচক, সিউলের কসপি সূচক এবং সিডনির এএসএক্স সূচকে উল্লম্ফন লক্ষ্য করা গেছে। জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তি খাত এবং অস্ট্রেলিয়ার খনিশিল্প খাতে এই উত্থান বিশেষভাবে দৃশ্যমান।
ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ এক পোস্টে লিখেছেন,
“সবাইকে অভিনন্দন! ইসরাইল এবং ইরান একটি চুক্তিতে পৌঁছেছে—আগামী ৬ ঘণ্টার মধ্যে একটি পূর্ণ ও চূড়ান্ত যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে। এই সময়ের মধ্যে উভয় দেশ তাদের চলমান অভিযান সম্পন্ন করবে। যুদ্ধবিরতির পরবর্তী ১২ ঘণ্টা পেরোলেই এই সংঘাতের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, এই চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সম্পন্ন হয়েছে এবং এতে দুই দেশের নিরাপত্তা এবং মর্যাদা রক্ষার দিকগুলো বিবেচনায় রাখা হয়েছে। যদিও ইরান বা ইসরাইলের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া আসেনি, তবে কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এই ঘà§

