ছবি: সংগৃহীত
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার একটি পরিকল্পনা ইসরায়েল নিয়েছিল বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক সূত্র। তবে এই পরিকল্পনা শেষ মুহূর্তে আটকে দেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প—রয়টার্সে প্রকাশিত এমন এক প্রতিবেদন ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। বিষয়টি নিয়ে আলজাজিরাকে বিস্তারিত বিশ্লেষণ দিয়েছেন ইসরায়েলের সাবেক কূটনীতিক ও বিশ্লেষক আলন পিঙ্কাস।
তেল আবিব থেকে আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আলন পিঙ্কাস বলেন, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মার্কিন সূত্রের বরাত দিয়ে প্রকাশিত এই প্রতিবেদনটি একাধিক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। “প্রথমত, ইসরায়েল কেন যুক্তরাষ্ট্রকে এমন পরিকল্পনার কথা বলবে? আর যুক্তরাষ্ট্রই-বা কেন এই তথ্য জনসমক্ষে আনল?”—এমন প্রশ্ন তোলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, “এটা কি ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যে? নাকি বোঝানোর চেষ্টা করা হচ্ছে যে, কোনো বিকল্পই এখন বাদ দেওয়া যাচ্ছে না? কিংবা এটা কি এমন একজন ব্যক্তির পদক্ষেপ, যিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে যুক্তরাষ্ট্র এখনো সংযত, বা ইসরায়েলকে সংযত থাকতে বলছে?”
পিঙ্কাস মনে করেন, “এই ঘটনা সম্ভবত এর বেশি কিছু নয়, বরং একটি বার্তা—ইসরায়েল বিষয়টি (হত্যা পরিকল্পনা) বিবেচনায় রেখেছে।”
সাবেক এই কূটনীতিকের মতে, ইসরায়েলে এখন এই খবরের ব্যাখ্যা হচ্ছে এমন যে, পরিকল্পনাটি সত্যিই বিবেচনায় ছিল এবং তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র বলেছে—‘এখন সময় নয়’। এই ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ইরানকে এখন একটি স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে।
রয়টার্স জানিয়েছে, দুইজন মার্কিন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে ইসরায়েল খামেনিকে হত্যার পরিকল্পনা নিয়েছিল এবং কয়েক দিন আগে তা আটকে দেন ট্রাম্প। তবে ঠিক কোন পর্যায়ে এই পরিকল্পনা ছিল বা কতটা অগ্রসর হয়েছিল, তা স্পষ্ট নয়।
এই খবর এমন সময় সামনে এলো, যখন ইসরায়েল ইরানে নজিরবিহীন সামরিক অভিযান শুরু করেছে। গত শুক্রবা

