ছবি: প্রতীকী
নির্বাচনকাল নির্ধারণ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের অবস্থানের পুণর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে বিএনপি। দলটির নীতিনির্ধারকরা জানিয়েছেন, আগামী জুন মাসজুড়ে তারা সরকারের অবস্থানের পরিবর্তনের অপেক্ষায় থাকবে। এই সময়ের মধ্যে নির্বাচনের নির্দিষ্ট রোডম্যাপ না এলে জুলাই থেকে মাঠে কঠোর কর্মসূচিতে নামবে বিএনপি।
দলটির নেতারা বলছেন, জুনে ঈদুল আজহার কারণে রাজনৈতিক কার্যক্রম কিছুটা থেমে থাকলেও জুলাই-আগস্টে রাজনৈতিক গতিপ্রকৃতি আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে। সে সময় সরকারের প্রকৃত অবস্থান পরিষ্কার হবে বলেও মনে করছেন তারা।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আমরা আমাদের কার্যক্রম পরিচালনা করব এবং জাতির সামনে উপস্থাপন করব। আমরা আরও কিছু সময় অপেক্ষা করব, যাতে সরকারের বিবেচনাবোধ জাগে।”
একইসঙ্গে তিনি জানান, বিএনপি বিশ্বাস করে, দ্রুত নির্বাচনের মাধ্যমে দেশ গণতান্ত্রিক রূপান্তরের পথে এগোতে পারলেই তা হবে দেশের জন্য মঙ্গলজনক।
এদিকে, চলতি মে মাসে ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দল মিলে চারটি বিভাগে আটটি সেমিনার ও সমাবেশ করেছে, যার লক্ষ্য ছিল তরুণদের সম্পৃক্ত করা। গত বুধবার নয়াপল্টনের বড় সমাবেশের মধ্য দিয়ে এ পর্বের কর্মসূচি শেষ করে দলটি। নেতারা জানান, ২৮ অক্টোবরের পর এটিই ছিল ঢাকায় তাদের সর্ববৃহৎ জমায়েত।
তবে দলটির পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, আগামী জাতীয় নির্বাচন চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হতে হবে। এর বাইরে বিকল্প কিছু ভাবছে না বিএনপি। এরই ধারাবাহিকতায় ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিকে ঘিরে বড় কর্মসূচির প্রস্তুতি নিচ্ছে দলটি।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পলায়নের বর্ষপূর্তিতে অবশ্যই আমাদের কর্মসূচি থাকবে। কারণ, গণ-অভ্যুত্থানের মূল শক্তিই ছিল বিএনপি এবং যুগপৎ আন্দোলনের শরিকেরা।” তিনি আরও জানান, জুলাই মাসেও দলটির কর্মসূচি থাকবে এবং নির্বাচনের দাবিতে কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।
অন্যদিকে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে আগের অবস্থানে অনড় রয়েছেন। তিনি সম্প্রতি টোকিওর এক অনুষ্ঠানে বলেন, “বাংলাদে

