ছবি: সংগৃহীত
নিম্নচাপের প্রভাবে টানা দুই দিনের দমকা হাওয়া ও প্রবল বৃষ্টিতে শরীয়তপুরের জনজীবন চরম দুর্ভোগে পড়েছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা, প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চল, বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে ব্যবসা-বাণিজ্য ও মানুষের স্বাভাবিক চলাচল।
বুধবার রাত থেকে অবিরাম বৃষ্টির ফলে শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল, নিরালা আবাসিক এলাকা, শান্তি নগর, হরিসভা, বাঘিয়া, বাসস্ট্যান্ড ও দার্সাত্তা এলাকা হাঁটু পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এছাড়া পালং উত্তর বাজার, কোতোয়াল বাড়িসহ বিভিন্ন এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি অনেকের মাছের ঘের ভেসে যাওয়ার খবরও পাওয়া গেছে।
তবে জেলায় কোনো আবহাওয়া কেন্দ্র না থাকায় বৃষ্টিপাতের সঠিক পরিমাণ জানা সম্ভব হয়নি।
শুক্রবার দুপুরে সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, সদর হাসপাতাল মাঠ, সিভিল সার্জন কার্যালয়, জেলা ডাকঘর এলাকা, পৌরসভার পেছনের অংশ, সাবনুর মার্কেট ও চর পালং এলাকা পানিতে ডুবে আছে। এসব এলাকার অনেক বাসা-বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও পানি উঠে গেছে, ফলে পানিবন্দি হয়ে দুর্বিষহ অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন বহু পরিবার।
শহরের বাজারগুলোতে ক্রেতাশূন্যতা লক্ষ করা গেছে। ক্রেতা না থাকায় অনেক দোকানদার দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরে গেছেন। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষজন, যারা দৈনিক উপার্জনের ওপর নির্ভরশীল।
শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা আবদুর মোশারফ হোসেন বলেন, “হাসপাতালের সামনের হাঁটু পানিতে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হই। ড্রেনেজ ব্যবস্থার দুর্বলতাই এর মূল কারণ। বিশেষ করে ময়লাযুক্ত পানির মধ্যে দিয়ে আসা-যাওয়া রোগীদের ভোগান্তির সীমা নেই।”
পৌর শহরের হরিসভা এলাকার বাসিন্দা গৃহবধূ আমেনা বেগম বলেন, “ঘরে পানি উঠেছে। গত রাতে রান্না করতে পারিনি, শুকনো খাবার খেয়ে থাকতে হয়েছে। এখন বাবার বাড়ি যাচ্ছি, এখানে আর থাকা যাচ্ছে না।”
উত্তর বাজার এলাকার রিকশাচালক কাইউম বেপারী বলেন, “দুদিন ধরে টানা বৃষ্টিতে খুব কষ্টে আছি। রাস্তাগুলো এমনিতেই ভাঙা, পানিতে গর্ত দেখা যায় না। রিকশা চালাতে গিয়ে দুর্ঘটনার ভয় থাকে, তবুও পেটের দায়ে রাস্তায় নামতেই হচ্ছে।”
এদিকে, শরীয়তপুর পà¦

