ছবি: সংগৃহীত
এক বল হাতে রেখেই রোমাঞ্চকর জয়ে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) শিরোপা পুনরুদ্ধার করল লাহোর কালান্দার্স। লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্সকে ৬ উইকেটে হারিয়ে তৃতীয়বারের মতো শিরোপা ঘরে তুলল শাহিন শাহ আফ্রিদির দল। ম্যাচের নায়ক কুসাল পেরেরা হলেও শেষ মুহূর্তে সিকান্দার রাজার ঝলকেই লেখা হয় ইতিহাস।
ফাইনালের আগের দিন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ট্রেন্ট ব্রিজে টেস্ট খেলে পাকিস্তানে আসেন জিম্বাবুয়ের অলরাউন্ডার সিকান্দার রাজা। বিমান থেকে মাঠে পৌঁছাতে সময় লেগে যায় এতটাই বেশি, যে টসের মাত্র ১০ মিনিট আগে দলে ঢোকানো হয় তাকে। আর সেই রাজাই হয়ে যান লাহোরের শিরোপা নায়ক।
শেষ তিন বলে দরকার ছিল ৮ রান। ফাহিম আশরাফের লো ফুলটস ডিপ মিডউইকেট দিয়ে চার মেরে দলকে জিতিয়ে দেন রাজা, তার আগে মারেন এক ছক্কা। ৭ বলে ২২ রানের ইনিংসে ছিল ২টি ছক্কা ও ২টি চার। ম্যাচশেষে সতীর্থদের কাঁধে উঠে উদযাপন করেন রাজা।
তবে পুরো ম্যাচে লাহোরের ব্যাটিংয়ের মূল চালিকাশক্তি ছিলেন কুসাল পেরেরা। মাত্র ৩১ বলে ৫ চার ও ৪ ছক্কায় ৬২ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন তিনি। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারেও ৬১ রান করেছিলেন এই শ্রীলঙ্কান ব্যাটার। ফাইনালের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার ওঠে তার হাতেই।
টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্স নির্ধারিত ২০ ওভারে তোলে ২০১ রান। দলের পক্ষে ঝড়ো ইনিংস খেলেন হাসান নাওয়াজ, ৪৪ বল মোকাবেলায় ৮টি চার ও ৪টি ছক্কার সাহায্যে করেন ৭৬ রান।
শেষ দিকে ফাহিম আশরাফ মাত্র ৮ বলে ২৮ রানের দ্রুতগতির ক্যামিও ইনিংস উপহার দেন। লাহোর কালান্দার্সের পক্ষে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি, ৪ ওভারে ২৪ রানে শিকার করেন ৩ উইকেট।
২০২ রানের বিশাল লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে লাহোর শুরুতে হারায় ফাখার জামানকে। তবে ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম ২৭ বলে ৪৬ রান করে দলকে এগিয়ে নেন। তিনে নেমে আবদুল্লাহ শাফিক করেন ২৮ বলে ৪১। এরপর পেরেরা ও রাজার ব্যাটে জয় নিশ্চিত করে লাহোর।
টি-টোয়েন্à

