ছবি: সংগৃহীত
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনার প্রভাব পড়েছে দুই দেশের ক্রীড়াঙ্গনেও। সীমান্তে ড্রোন হামলা ও পাল্টা হামলায় প্রাণহানির পাশাপাশি দুটি দেশের শীর্ষস্থানীয় ক্রিকেট লিগ—আইপিএল ও পিএসএল—স্থগিত বা সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে আয়োজকরা।
ভারতের চালানো একাধিক ড্রোন হামলায় পাকিস্তানে অন্তত ৩১ জন নিহত হওয়ার পর পাকিস্তান পাল্টা হামলা চালায়, যাতে ভারতীয় ১৬ জন নাগরিক নিহত হন। এর পাশাপাশি পাকিস্তান দাবি করেছে, তারা ভারতীয় ৭টি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে, যা ভারতের জন্য বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়েছে।
এমন অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে বিদেশি খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকে। ফলে পাকিস্তান ও ভারতের ক্রিকেট বোর্ডগুলো নিজ নিজ লিগ ভিন্ন দেশে সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেয়।
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং পিএসএল আয়োজনের জন্য আমিরাতের সম্মতি অর্জন করে। ৮ মে পিএসএল আমিরাতে আয়োজনের বিষয়টি চূড়ান্ত করে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেয় পিসিবি।
পাকিস্তানের পরে বিসিসিআইও আইপিএল আমিরাতে আয়োজনের প্রস্তাব দেয়। তবে ইসিবি জানায়, পিএসএলের জন্য আগে থেকেই ভেন্যু নির্ধারিত থাকায় একই সময়ে আইপিএল আয়োজন সম্ভব নয়।
এদিকে, নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে ভারতের ধর্মশালায় একটি আইপিএল ম্যাচ মাঝপথে বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপরই আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিল জরুরি বৈঠকে বসে। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআই বিসিসিআইয়ের সূত্রের বরাতে জানায়, আইপিএল অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তবে পরে আইপিএল কর্তৃপক্ষ তাদের অফিসিয়াল বিবৃতিতে জানায়, টুর্নামেন্ট এক সপ্তাহের জন্য স্থগিত থাকবে। বিবৃতিতে বলা হয়, “আইপিএলের বাকি অংশ এক সপ্তাহের জন্য স্থগিত করা হলো। সব অংশীদারের সঙ্গে আলোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”
বিশ্লেষকদের মতে, ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে সাম্প্রতিক à

