স্বস্তিতে বিদেশগামী বাংলাদেশিরা
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভিসা নীতিতে বাংলাদেশসহ ৩৮টি দেশকে ভিসা বন্ড ব্যবস্থার আওতায় আনার পর এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বিদেশ ভ্রমণ, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে ভিসা আবেদনকারীদের আর্থিক নিরাপত্তা আমানত বা ভিসা বন্ড জমা দেওয়ার যে বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়েছে, তা সহজ করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। নতুন এই ব্যবস্থার ফলে এখন থেকে বিদেশি দূতাবাস বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত ভিসা বন্ড এবং ফেরতযোগ্য সিকিউরিটি ডিপোজিট বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে বিদেশে পাঠানো যাবে।
রোববার (১১ মে) জারি করা এক পরিপত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, যদি কোনো দেশের ভিসা প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আবেদনকারীর কাছ থেকে ভিসা বন্ড বা নিরাপত্তা আমানত জমা দেওয়ার শর্ত আরোপ করা হয়, তাহলে অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলো আবেদনকারীর পক্ষে সেই অর্থ বিদেশে পাঠাতে পারবে। ব্যাংকিং খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক ভ্রমণ ও ভিসা প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ, নিরাপদ এবং সহজ করবে।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র অবৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ এবং ভিসার শর্ত ভঙ্গ কমানোর লক্ষ্যে কিছু দেশের নাগরিকদের জন্য নতুন ভিসা নীতি চালু করেছে। এই নীতির আওতায় বাংলাদেশসহ ৩৮টি দেশের আবেদনকারীদের কাছ থেকে আর্থিক গ্যারান্টি বা ভিসা বন্ড চাওয়া হতে পারে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, আবেদনকারীদের সর্বোচ্চ ১৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত নিরাপত্তা আমানত জমা দিতে হতে পারে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৮ লাখ টাকার সমান। ভিসার শর্ত যথাযথভাবে পালন করা হলে পরবর্তীতে এই অর্থ ফেরত দেওয়ার কথা রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, উন্নত অনেক দেশ বর্তমানে ভিসা প্রক্রিয়ায় আর্থিক গ্যারান্টির বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছে। কারণ অনেক সময় ভ্রমণ ভিসায় বিদেশে গিয়ে নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান করা, অবৈধভাবে কাজ করা বা ভিসার শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠে। এসব নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভিসা বন্ড ব্যবস্থা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
এর আগে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে এ ধরনের বন্ড বা সিকিউরিটি ডিপোজিট পাঠানোর বিষয়ে স্পষ্ট কোনো নীতিমালা ছিল না। ফলে ভিসা আবেদনকারীদের অনেকেই জটিলতায় পড়তেন। কেউ কেউ অনানুষ্ঠানিক পদ্ধতিতে অর্থ পাঠানোর ঝুঁকিও নিতেন। এতে প্রত

