হালখাতা
হালখাতা
চৈত্রের শেষের তপ্ত রোদ আর গরম হাওয়া জানিয়ে দিচ্ছে নববর্ষের আগমনী বার্তা। বছরের প্রথম দিন মানেই সাজসজ্জা, আনন্দ আর ব্যবসায়ীদের পুরনো ঐতিহ্য—হালখাতা। তবে সময়ের সঙ্গে বদলে গেছে সেই আয়োজনের চেহারা।
আগে পহেলা বৈশাখ মানেই ছিল উৎসবের আমেজে হালখাতা খোলা। লাল মলাটের নতুন খাতা, নিমন্ত্রণপত্র, দোকান সাজানো, মিলাদ, গান-বাজনা—সব মিলিয়ে এক জমজমাট পরিবেশ থাকত। গ্রাহকদের আপ্যায়ন করে পুরনো হিসাব মিটিয়ে নতুন খাতা খোলার মধ্য দিয়ে শুরু হতো নতুন বছরের ব্যবসা।
কিন্তু এখন অনেকটাই বদলে গেছে সেই চিত্র। ব্যবসায়ীরা বলছেন, আগের মতো আর জৌলুস নেই। নিমন্ত্রণপত্রের জায়গা নিয়েছে মোবাইল ফোন আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। আয়োজনও এখন অনেকটা সীমিত।
পুরান ঢাকার তাঁতীবাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী সমীর চন্দ্র খাঁ বলেন, “আগে মানুষ অনুষ্ঠান উপলক্ষে বেশি স্বর্ণ কিনত। এখন দাম বেড়ে যাওয়ায় সেই আগ্রহ নেই। ব্যবসাও কমেছে, তাই হালখাতার জৌলুসও কমে গেছে।”
একই কথা বললেন রবীন জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী উত্তম দাস। প্রায় ৫০ বছরের ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা তার। তিনি বলেà
