জ্বালানি তেল
প্রাক-বাজেট আলোচনায় ব্যবসায়ীদের আশ্বাস
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এতে বাংলাদেশকে গ্যাস ও তেল প্রায় দ্বিগুণ দামে কিনতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে ঢাকা চেম্বার আয়োজিত প্রাক-বাজেট আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, আগে সরকার যেখানে এলএনজি ১০ ডলারে কিনত, এখন স্পট মার্কেট থেকে সেটি ২০ ডলারে কিনতে হচ্ছে। একইভাবে অপরিশোধিত তেলের দাম ৫০-৬০ ডলার থেকে বেড়ে ১১৬ ডলারে পৌঁছেছে।
তিনি বলেন, “যুদ্ধের মতো পরিস্থিতির জন্য আমরা প্রস্তুত ছিলাম না। হঠাৎ করে এই অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় অর্থনীতিতে চাপ বেড়েছে।”
শুধু জ্বালানি নয়, সারের দামও বেড়েছে উল্লেখ করে তিনি জানান, ইউরিয়া সার এখন প্রায় দ্বিগুণ দামে আমদানি করতে হচ্ছে। দেশে গ্যাস সংকটের কারণে সার কারখানাগুলো পুরোপুরি চালু রাখা সম্ভব হয় না, ফলে বিদেশ থেকে বেশি দামে গ্যাস কিনতে হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, “যে গ্যাস আগে ৪৫৬ ডলারে পাওয়া যেত, এখন সেটি ৮০০ ডলারের বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। এতে সরকারের জন্য ব্যয় সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে।”
তিনি আরও বলেন, জ্বালানির উচ্চমূল্যের কারণে সরকারের ব্যয় ব্যবস্থাপনায় চাপ তৈরি হয়েছে এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী খরচ করার সুযোগ কমে গেছে।
সংকট মোকাবিলায় সংরক্ষণ ব্যবস্থার অভাবকে বড় সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, “যদি আমাদের দুই মাসের এলএনজি মজুত রাখার সক্ষমতা থাকত, তাহলে এত বেশি দামে কিনতে হতো না।”
তবে শিল্পকারখানা সচল রাখতে সরকার জ্বালানিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলেও জানান তিনি।
শুল্ক ও কর বিষয়ে ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত করে মন্ত্রী বলেন, করের হার না বাড়িয়ে করদাতার সংখ্যা বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এতে ব্যবসায়ীদের ওপর বাড়তি চাপ পড়বে না বলে তিনি আà

