Money
ডলারের দাম না বাড়ানোর আহ্বান এফবিসিসিআইয়ের
রেমিটেন্স প্রবাহ বাড়ায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখন ‘স্থিতিশীল’ অবস্থায় রয়েছে—এমন প্রেক্ষাপটে টাকার বিপরীতে ডলারের বিনিময় হার আর না বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে এফবিসিসিআই।
সোমবার সংগঠনটির প্রশাসক আব্দুর রহিম খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ ব্যাংক-এর গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের সঙ্গে বৈঠক করে ১২ দফা সুপারিশ তুলে ধরে।
বৈঠক শেষে এফবিসিসিআই মহাসচিব মো. আলমগীর জানান, দেশে ডলারের ঘাটতি না থাকায় বিনিময় হার বাড়ানোর প্রয়োজন নেই। টাকার মান যেন আর কমানো না হয়—এমন দাবিই তারা গভর্নরের কাছে তুলে ধরেছেন।
তিনি বলেন, গভর্নরও তাদের আশ্বস্ত করেছেন যে ডলারের কোনো সংকট নেই এবং বিনিময় হার বাড়ানোর সুযোগ নেই। কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে হার বাড়ানোর চেষ্টা করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
ইডিএফ তহবিল বাড়ানোর দাবি
রপ্তানি খাতকে সহায়তা দিতে গঠিত রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল (ইডিএফ) বর্তমানে কমে প্রায় ২ থেকে ২.৩ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। এক সময় এই তহবিলের আকার ছিল ৭ বিলিয়ন ডলার।
এফবিসিসিআই এই তহবিল বাড়িয়ে ৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি, এ তহবিল থেকে নেওয়া ঋণের মেয়াদ ৪ বছর বাড়িয়ে মোট ৫ বছর করা এবং সুদের হার ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশে নামানোর প্রস্তাব দিয়েছে তারা।
উল্লেখ্য, ঋণ খেলাপি বৃদ্ধি, কিছু প্রতিষ্ঠানের হাতে বড় অঙ্কের অর্থ কেন্দ্রীভূত হওয়া এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল-এর শর্ত পূরণের কারণে ইডিএফ তহবিলের আকার কমানো হয়।
ব্যবসায়ীদের জন্য নীতি সহায়তার দাবি
ব্যবসায়ীরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে জ্বালানি, কাঁচামাল ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে গেছে। এতে উৎপাদন খরচও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
এ অবস্থায় বিনিয়োগ ও উৎপাদন সচল রাখতে সুদের হার এক অঙ্কে নামানো, সহজ শর্তে ঋণ প্রদান, ক্ষতিগ্রস্ত শিল্à

