Telecom of Bangladesh
আর্থিক বিরোধে আন্তর্জাতিক সালিশির পক্ষে গ্রামীণফোন
অতিরিক্ত করের চাপ এবং দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত আর্থিক বিরোধের কারণে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশের টেলিকম খাতে বিনিয়োগে আগ্রহ হারাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান। তাঁর মতে, এই অনাগ্রহের প্রভাব শুধু টেলিকম খাতেই নয়, অন্যান্য খাতেও পড়ছে।
গত ৬ জানুয়ারি বিভিন্ন গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে ইয়াসির আজমান বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের বিষয়ে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ এখন খুবই কম, যা সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয়। তিনি জানান, এই বাস্তবতা শুধু গ্রামীণফোনের ক্ষেত্রে নয়, মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন অ্যামটবের সভাপতি হিসেবে তিনি অন্যান্য অপারেটরের ক্ষেত্রেও একই চিত্র দেখছেন।
বিদেশি বিনিয়োগে অনাগ্রহের কারণ হিসেবে তিনি বলেন, টেলিকম খাতে অতিরিক্ত কর আরোপ করা হয়েছে এবং সব অপারেটরের বিপুল অঙ্কের আর্থিক বিরোধ বছরের পর বছর ধরে নিষ্পত্তি হয়নি। প্রায় তিন দশক ধরে অপারেশনে থাকার পরও অডিট আপত্তির কোনো স্থায়ী সমাধান না হওয়াকে বড় বাধা হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। ইয়াসির আজমান বলেন, তিনটি মোবাইল অপারেটরেরই বিনিয়োগকারী বিদেশি, এমন পরিস্থিতিতে তারা কীভাবে বড় বিনিয়োগের কথা ভাববেন, সেটিই প্রশ্ন।
তবে টেলিকম খাতে বিনিয়োগে অনাগ্রহের এই বক্তব্যের বিপরীতে সরকারের পক্ষ থেকে ভিন্ন চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী গত ১৫ জানুয়ারি এক ফেসবুক পোস্টে জানান, ২০২৫ সালের প্রথম নয় মাসে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ ৮০ শতাংশ বেড়েছে। তাঁর মতে, বিদ্যুৎ, চিকিৎসা ও ব্যাংকিং খাতে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ এসেছে, আর দেশ হিসেবে চীন ও সিঙ্গাপুর শীর্ষে রয়েছে।
আর্থিক বিরোধের সমাধান প্রসঙ্গে গ্রামীণফোনের সিইও আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতের পথে যাওয়ার পক্ষে মত দেন। তিনি বলেন, কেবল গ্রামীণফোনেরই সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকার বেশি অনিষ্পত্তিকৃত আর্থিক বিরোধ রয়েছে। রবি ও বাংলালিংকও একই à

