ইলিশ ও সবজি
সবজি মহার্ঘ, মাছ সস্তা—বাজারে উল্টো চিত্র
ঢাকার কাঁচাবাজারে শীতের সবজির সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও দাম এখনও ক্রেতার নাগালের বাইরে। বিশেষ করে নতুন আলুর কেজিপ্রতি দাম ১২০ টাকা, যেখানে পুরান আলু মিলছে ২০ টাকায়। দুই ধরনের আলুর দামের এই বিশাল ব্যবধান ক্রেতাদের দুশ্চিন্তা আরও বাড়িয়েছে।
অন্যদিকে মাছের বাজারে চিত্র ভিন্ন। এক সপ্তাহের ব্যবধানে বেশ কিছু মাছের দাম কেজিতে ১০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। যাত্রাবাড়ী বাজারের মাছ বিক্রেতা সামছুল ইসলাম জানান, “রুই এক সপ্তাহ আগেও ছিল ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা। আজ শুক্রবার বিক্রি করছি ৩২০ টাকায়। তারপরও ক্রেতা কম।”
মাছের পসরা সাজিয়ে বসলেও ক্রেতারা বেশিরভাগই দরদাম করে চলে যাচ্ছেন। কেউ কেউ সবজি কেনার পর পছন্দ মতো মাছ নিচ্ছেন। আব্দুল আলিম বলেন, “এখন সবজি তাজা। তাই মানুষ সবজির দিকে বেশি যাচ্ছে।”
চাষের তেলাপিয়া দুই সপ্তাহ ধরে ১৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। পাঙ্গাসের দামও অপরিবর্তিত রয়েছে ১৮০ টাকা কেজি। বড় শিং ৪০০ টাকা, চাপিলা ২৫০ টাকা দরে মিলছে, যা কয়েকদিন আগেও ৩০০ টাকার নিচে পাওয়া যেত না। চাষের চিংড়ি ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি। আগে ৫০০ টাকায় বিক্রি হওয়া তুল ডানডি এখন ৪০০ টাকায় নামেছে। বড় শোল ও টাকি মাছের দামও কমেছে ৩০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত।
চাষের পাবদা আগের ৪০০ টাকা থেকে নেমে ৩৩০–৩৫০ টাকায় এসেছে। বড় পুঁটি মিলছে ২০০ টাকায়, যা সাধারণত ২৫০ টাকার নিচে পাওয়া যায় না। সবচেয়ে বেশিবার বিক্রি হওয়া নলা মাছের দাম এক সপ্তাহে ৩৫০ থেকে নেমে ২৫০ টাকায় এসেছে।
বিক্রেতাদের ভাষায়, শীতের সময় মাছের চাহিদা কিছুটা কম থাকে। যাত্রাবাড়ীর নজরুল গাজী বলেন, “এক সপ্তাহে দাম যেমন কমছে, মানুষও তেমন কমে গেছে।”
এদিকে ইলিশের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ৩০০–৩৫০ গ্রাম ওজনের ইলিশ মিলছে প্রতি কেজি ৮০০ টাকায়।
সবজির সরবরাহ বেড়েছে ঠিকই, কিন্তু দাম এখনো বেশ চড়া। আগের সপ্তাহের তুলনায় কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৬০ টাকা পর্যন্ত কমলেও তা এখনও অনেকের নাগালের বাইরে। নতুন আলুর দাম ১২০ টাকার পাশাপাশি শিম ১৬০ টাকা, দেশি

