কিটক্যাট kit-kat
কিটক্যাট মামলায় নেসলে বলছে অভিযোগ ভিত্তিহীন
নেসলে বাংলাদেশ বাজারে নিম্নমানের কিটক্যাট চকোলেট ওয়েফার সরবরাহের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। কোম্পানির দাবি, ডিস্ট্রিবিউটররা মান নিয়ে যে তথ্য দিয়েছে তা উপেক্ষা করেই মামলা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার বিজ্ঞপ্তিতে নেসলে জানায়, অভিযোগ দায়েরের আগে তাদের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করা হয়নি। ঢাকার নিরাপদ খাদ্য আদালত সোমবার নেসলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিপাল আবে বিক্রমা এবং পাবলিক পলিসি ম্যানেজার রিয়াসাদ জামানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।
মামলার বাদী ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের খাদ্য পরিদর্শক কামরুল হাসান বলেন, পরীক্ষায় কিটক্যাট ওয়েফার ও এর চকোলেট আবরণে বিএসটিআই মানদণ্ডের চেয়ে বেশি অ্যাসিডিটি ও কম দুধজাত উপাদান পাওয়া গেছে। তার মতে, উচ্চ অম্লতা খাবারের পচন নির্দেশ করে এবং কম দুধের উপাদান থাকা মানে দুগ্ধজাত পণ্যের মান পূরণ না করা।
অন্যদিকে নেসলে বলছে, যে মানদণ্ড উল্লেখ করা হয়েছে তা কিটক্যাটের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। বিএসটিআই নিজেও জানিয়েছে, কিটক্যাট কোনো নির্দিষ্ট মানের আওতায় পড়ে না। কোম্পানির দাবি, পণ্যটি ভারত ও দুবাইয়ের ল্যাবে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং সব মানই গ্রহণযোগ্য পর্যায়ে আছে।
নেসলের কোম্পানি সচিব দেবব্রত রায় চৌধুরী জানান, কিটক্যাটের জন্য বিএসটিআই কোনো মান নির্ধারণ করেনি, তাই পণ্যে বিএসটিআই সিল থাকে না। আমদানিকৃত প্রতিটি চালান সরকার নিয়ন্ত্রিত বিসিএসআইআরের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে কাস্টমস ছাড়পত্র পায়।
তিনি বলেন, “কিটক্যাট একটি বিশ্বব্যাপী পরিচিত পণ্য। নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় সংরক্ষণ ছাড়া এর গুণগত মান নষ্ট হতে পারে। আমরা মান নিয়ে আপস করি না।”

