কনটেইনার
চট্টগ্রাম বন্দর মাশুল নিয়ে আলোচনা দাবি পোর্ট ইউজার্স ফোরামের
চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে যৌক্তিক ও বাস্তবসম্মত মাশুল নির্ধারণের আহ্বান জানিয়েছে ‘পোর্ট ইউজার্স ফোরাম’।
বুধবার চট্টগ্রামের সিটি কনভেনশন হলে আয়োজিত এক সভায় সংগঠনটির নেতারা বলেন, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সমন্বয় না করে মাশুল বাড়ানো হলে তা বন্দর কার্যক্রম ও বাণিজ্যের জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
সভায় জানানো হয়, ব্যবসায়ীদের আপত্তি সত্ত্বেও গত ১৫ অক্টোবর থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে নতুন মাশুল কার্যকর হয়েছে, যা বিভিন্ন সেবায় আগের তুলনায় ৪১ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। তবে ব্যবহারকারীদের দাবি, কিছু ক্ষেত্রে এই বৃদ্ধি ৩০০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে।
শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক সাহেদ সরওয়ার বলেন, “বলা হচ্ছে ৪১ শতাংশ বৃদ্ধি, কিন্তু বাস্তবে বিপজ্জনক পণ্যের কনটেইনারে আগে ৩৭১ ডলার দিতাম, এখন ১৫০০ ডলার দিতে হচ্ছে।”
পোর্ট ইউজার্স ফোরামের আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম চেম্বারের সাবেক সভাপতি আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “আমরা দাবি জানিয়েছিলাম যৌক্তিক মাশুল নির্ধারণে আলোচনার। সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাস মিলেছে, আগামী ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে বৈঠক হবে। আমরা চাই ব্যবহারকারীদের সঙ্গে আলোচনা করেই নতুন ট্যারিফ নির্ধারিত হোক।”
সভায় বক্তারা ওজন স্কেল ও বন্দর ট্যারিফকে চট্টগ্রামের বাণিজ্য প্রসারে প্রতিবন্ধক হিসেবে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি চট্টগ্রাম চেম্বারকে আরও জবাবদিহিমূলক ও ব্যবসায়ীবান্ধব করার আহ্বান জানান।
তবে এই সভাটি শেষ পর্যন্ত আগামী ১ নভেম্বর হতে যাওয়া চট্টগ্রাম চেম্বার নির্বাচনের ‘ইউনাইটেড বিজনেস ফোরাম’-এর পরিচিতি সভায় পরিণত হয়।
ইউনাইটেড বিজনেস ফোরামের দলনেতা মোহাম্মদ আমিরুল হক সভায় বলেন, “ব্যবসায়ীদের ন্যায্য দাবি আদায়ে আমরা সবসময় পাশে থাকব, প্রয়োজনে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেব।”
সভায় আরও উপà

