grameenphone
‘প্রতারণা ও চুরির’ মামলায় গ্রামীণফোনের সিইওসহ তিনজনের জামিন
‘প্রতারণা ও চুরির’ অভিযোগে দায়ের করা এক মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমানসহ তিনজন কর্মকর্তা।
রোববার ঢাকার মহানগর হাকিম রৌনক জাহান তাকির আদালতে তারা আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন মঞ্জুর করেন।
জামিন পাওয়া অপর দুই কর্মকর্তা হলেন—গ্রামীণফোন ট্রাস্টি বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফজলুল হক এবং চিফ হিউমান রিসোর্স অফিসার সায়েদা তাহিয়া হোসেন।
মামলাটি দায়ের করেন প্রতিষ্ঠানটির সাবেক কর্মী রাকিবুল আজম। গত ২৬ সেপ্টেম্বর তিনি ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলা করেন। সেদিন আদালত মামলাটি গ্রহণ করে তিন আসামিকে ২৬ অক্টোবর হাজির হওয়ার সমন জারি করে।
নির্ধারিত তারিখে ইয়াসির আজমানসহ তিনজন সকালে আদালতে উপস্থিত হয়ে আত্মসমর্পণ করেন। বেলা ১২টার দিকে শুনানি শুরু হলে তারা কাঠগড়ায় দাঁড়ান।
আসামিপক্ষের আইনজীবী এহেসানুল হক সমাজী আদালতকে বলেন, “বাদী রাকিবুল আজম গ্রামীণফোনের সাবেক কর্মী। কথিত চুক্তিপত্রের ভিত্তিতে মামলা করেছেন। একই বিষয়ে শ্রম আদালতে আরেকটি মামলা রয়েছে, যা বর্তমানে হাই কোর্টে স্থগিত আছে। এ মামলায় প্রতারণা বা চুরির কোনো উপাদান নেই। আসামিরা প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদে আছেন। তাদের হয়রানি করার উদ্দেশ্যে এ মামলা করা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “আসামিরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আদালতের নির্দেশে হাজির হয়েছেন। তারা জামিন পাওয়ার যোগ্য।”
আসামিপক্ষের আরেক আইনজীবী খোরশেদ মিয়া আলম বলেন, “তারা প্রথিতযশা ব্যক্তি। আদালত তাদের জামিনের বিষয়টি বিবেচনা করবেন বলে আশা করি।”
অন্যদিকে বাদীপক্ষের আইনজীবী রোকেয়া আক্তার রোকসানা জামিনের বিরোধিতা করে বলেন, “বাদীর ৮ লাখ টাকারও বেশি à

