এফডিসি
আধুনিকীকরণের অভাবে এফডিসির উত্থান থেমে গেছে
সাত দশক আগে চলচ্চিত্র শিল্পকে পাখাপক্ত করা উদ্দেশ্যে গঠিত বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি) আজ স্বকীয় গৌরব হারিয়ে গেছে। অব্যবস্থাপনা, সরঞ্জামের জনিত vétতা ও সময়ের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে ব্যর্থতার ফলে প্রতিষ্ঠানটি গভীর আর্থিক সংকটে পড়ে; গত দশ বছরে সরকারের কাছ থেকে অনুদান ও ঋণের মিশ্রণে প্রায় ৮০ কোটি টাকার সাহায্য নিয়েছে করপোরেশনটি।
সরকার এখন এ সংস্থাকে নতুনভাবে চলমান রাখার পথ খোঁজার মধ্যে। চলতি ২০২৫-২০২৬ অনুদানবর্ষে এফডিসি ১১৮ কোটি টাকার অনুদান বা বড় বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করেছে; তবু বিকল্প ভাণ্ডারে পরিচালনার উপায় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তথ্য মন্ত্রণালয়ের একটি সভায় প্রতিষ্ঠানটির স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ বিকল্পভাবে ব্যবহারের এবং কর্মীদের মধ্যে ক’জনকে ‘গোল্ডেন হ্যান্ডশেক’ দিয়ে স্বেচ্ছায় অবসর নেবার সুযোগ দেয়ার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে।
আর্থিক অবস্থা: ঘাটতি বাড়ছে, রাজস্ব কমছে
এফডিসির হিসাব অনুযায়ী ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ১৯৯৯-২০০০ অর্থবছরে সর্বোচ্চ রাজস্ব ছিল—১১ কোটি ৯ লাখ ৯৯ হাজার টাকার মত। তবে এরপর থেকেই আয়ের ধারাবাহিক পতন শুরু হয়। ২০১৬ সাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি পুরোপুরি ভর্তুকিভিত্তিকভাবে চলতে শুরু করলেও ব্যয় ও লোকসান ক্রমবর্ধমান।
২০২৩-২৪ অর্থবছরে পরিচালন ও সেবা খাত থেকে আয় ছিল ৬ কোটি ২৪ লাখ টাকার কাছাকাছি; কিন্তু খরচ ছিল ২৩ কোটি ৯৯ লাখ টাকার মতো। পরের অর্থবছরে আয় আরো কমে ৩ কোটি ৫৭ লাখ টাকার ধারায় নেমে আসে, আর খরচ থাকে ২৪ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। ২০১৫-১৬ থেকে ২০২৪-২৫ পর্যন্ত অনুদান ও ঋণের সমষ্টি প্রায় ৮০ কোটি ১৩ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। নিয়ন্ত্রিত আয়ের চেয়ে দায়ের পরিমাণ অনেক বেশী—২০২১-২২ সালের নিরীক্ষা বলছে ধারাবাহিক লোকসান ১৪২ কোটি টাকারও বেশি।
চাহিদা: আধুনিকীকরণ ও আয় বাড়ানো সম্ভব
এফডিসির এমডি মাসুমা রহমান তানি মনে করেন, আধুনিক প্রযুক্তি ও সেবা-রেট কার্ডে বাস্তবসম্মত সংস্কার করে সংস্থাকে পুনরুজ্জীবিত করা সম্ভব। তিনি বলেন, ই-টিকেটিং চালু করা, শুটিং স্পটগুলো সঠিক মূল

