এলপিজি
এলপিজির দাম সমন্বয়, অটোগ্যাসেও কমলো মূল্য
দেশে ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডারের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২৯ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ২৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন এই দাম কার্যকর হবে আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে।
এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে একই সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ২৭০ টাকা। সে হিসাবে প্রতি কেজি এলপিজির দাম দাঁড়াচ্ছে ১০৫ টাকা ৮৭ পয়সা। দাম সামান্য কমলেও এতে ভোক্তারা কিছুটা স্বস্তি পাবেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিইআরসির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে সরবরাহকৃত এলপিজির দামও সমন্বয় করা হয়েছে। এই পদ্ধতিতে প্রতি কেজির নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৯ টাকা ৬৫ পয়সা, যা গত মাসে ছিল ১০২ টাকা ১২ পয়সা। অর্থাৎ, এ ক্ষেত্রেও ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি কেজিতে ২ টাকা ৪৭ পয়সা হ্রাস পেয়েছে।
অক্টোবর মাসের জন্য অটোগ্যাসের দামও কমিয়েছে কমিশন। নতুন ঘোষণায় বলা হয়েছে, প্রতি লিটার অটোগ্যাসের দাম ৫৮ টাকা ১৫ পয়সা থেকে কমিয়ে মূসকসহ ৫৬ টাকা ৭৭ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে পরিবহন খাতে ব্যবহারকারীরাও এই সমন্বয়ে কিছুটা উপকৃত হবেন।
বিইআরসি জানিয়েছে, এলপিজির দাম নির্ধারণে সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি আরামকোর ঘোষিত কার্গো মূল্য বা ‘কন্ট্রাক্ট প্রাইস’ (সিপি) অনুসরণ করা হয়। প্রোপেন ও বিউটেন—এই দুটি উপাদানই এলপিজির মূল কাঁচামাল, যা সম্পূর্ণভাবে বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে এই উপাদানগুলোর দামের ওঠানামার ওপরই দেশের এলপিজি মূল্যের তারতম্য নির্ভর করে।
অক্টোবর মাসের জন্য প্রোপেন ও বিউটেনের গড় সিপি ৪৮২ ডলার বিবেচনায় নিয়ে নতুন দর নির্ধারণ করেছে বিইআরসি। গত মাসের তুলনায় এই দরে কিছুটা হ্রাস হওয়ায় স্থানীয় বাজারেও দাম সমন্বয় করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দাম সামান্য কমায় বাংলাদেশের বাজারে এলপিজির খুচরা মূল্য হ্রাস করা সম্ভব হয়েছে। যদিও এই হ্রাস খুব বেশি নয়, তবুও বর্তমান মূল্যস্ফীতির সময় এটি সাধারণ ভোক

