islami-bank-fb-page
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ এক দিনে দুই দফা হ্যাকড হওয়ার ঘটনায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার ভোরে প্রথমবার পেজটি হ্যাকারদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। তখন তারা প্রোফাইল ও কভার ফটো পরিবর্তন করে নিজেদের লোগো বসায় এবং পরিচয় দেয় ‘এমএস ৪৭০ এক্স’ নামে। হ্যাকাররা সেখান থেকে একটি পোস্ট দিয়ে জানায়, ব্যাংকের কার্যক্রম তারা নজরে রাখছে এবং খুব শিগগিরই ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাইবার আক্রমণ চালানো হবে। এ ঘটনার কিছুক্ষণ পর থেকেই ব্যাংকের পেজ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তবে বিকাল ৪টার দিকে আইটি টিমের প্রচেষ্টায় পেজটি উদ্ধার করে কর্তৃপক্ষ।
কিন্তু ঘটনাটি সেখানেই শেষ হয়নি। বিকেলে পেজ স্বাভাবিক হলেও রাতে ফের সেটি হ্যাকারদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। রাত ৮টা ২৮ মিনিটে তারা আবার প্রোফাইল ও কভার ফটো পরিবর্তন করে এবং কিছুক্ষণ পর পোস্ট দেয় “পেইজ হ্যাকড?”। এরপর ধারাবাহিকভাবে কয়েকটি পোস্টে ইসলামী ব্যাংকের আইটি টিমকে ব্যঙ্গ করে তারা লেখে, “হ্যালো ডিয়ার ইসলামী ব্যাংক সো-কল্ড এক্সপার্টস।” রাত ৯টা ২২ মিনিটে দেওয়া একটি দীর্ঘ পোস্টে ব্যাংকের কর্তৃপক্ষের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলে এবং অনৈতিক ও অন্যায় আচরণের অভিযোগ আনে।
ব্যাংকের জনসংযোগ বিভাগের প্রধান নজরুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন, পেজ হ্যাকড হওয়ার পর থেকে বিশেষজ্ঞরা নিরলসভাবে কাজ করছেন। প্রথমবার পেজ উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও দ্বিতীয়বার হ্যাকড হওয়ার পর থেকে বিষয়টি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। ব্যাংক আইটি বিভাগ ফেসবুকের সঙ্গে যোগাযোগ করছে বলে জানা গেছে।
হ্যাকারদের বার্তায় বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে ইসলামী ব্যাংকের সাম্প্রতিক নিয়োগ প্রক্রিয়ার কথা। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এস আলম গ্রুপের প্রভাবমুক্ত হয় ইসলামী ব্যাংক। গ্রুপটির নিয়ন্ত্রণকালে মৌখিক নির্দেশে প্রায় ১০ হাজার কর্মী নিয়োগ পান। এতে ব্যাংকের কর্মীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ২২ হাজারে, যেখানে ২০১৬ সালে সংখ্যা ছিল সাড়ে ১৩ হাজার। অনিয়মিত নিয়োগ পাওয়া ৫ হাজার ৩৮৫ কর্মীকে গত ২৭ সেপ্টেম্বর মূল্যায়ন পরীক্ষায় অংশ নিতে ডাকা à

