পাটপণ্য বিক্রি
ঢাকার জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী বহুমুখী পাটপণ্য মেলা সফলভাবে শেষ হয়েছে। মেলায় ১২ লাখ টাকার বেশি পণ্য বিক্রি হয়েছে বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন।
গত মঙ্গলবার শুরু হওয়া এ মেলা বৃহস্পতিবার রাতে শেষ হয়। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, তিন দিনে ৩২টি স্টল থেকে মোট ১২ লাখ আট হাজার ৬৭০ টাকার পণ্য বিক্রি হয়। মেলায় পাট দিয়ে তৈরি রঙিন ব্যাগ, ফুলদানি, টেবিল ম্যাট, পাপোশসহ দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহারযোগ্য নানা পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রি করা হয়।
জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টারের (জেডিপিসি) তত্ত্বাবধান ও সম্প্রসারণ নির্বাহী মো. মোজাহিদুল ইসলাম বলেন, “তিন দিনের মেলায় ১২ লাখ টাকার বিক্রি হয়েছে। আমরা ক্রেতাদের কাছ থেকে মোটামুটি ভালো সাড়া পেয়েছি। আগামীতে এ আয়োজন আরও বড় পরিসরে করা হবে।”
মেলায় অংশ নেওয়া ব্যবসায়ীরাও বিক্রি নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। মাল্টিপারপাস জুট প্রোডাক্ট সেন্টারের প্রোপাইটার চাঁদ সিতারা বিনতে ইসলাম বলেন, “প্রথমবারের মতো অনেক ক্রেতা পাটপণ্যের এত বৈচিত্র্য দেখেছেন এবং খুশি হয়ে কিনেছেন। আমরা বিক্রিতে খুশি।”
ক্রেতারাও এ মেলায় দেশীয় পণ্য দেখে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। মেলায় বেড়াতে আসা আইনজীবী ইশরাত জাহান বলেন, “আদালত এলাকায় প্রথমবারের মতো পাটপণ্যের মেলা আয়োজন সত্যিই প্রশংসনীয়। দেশীয় পণ্য দেখে ভালো লেগেছে। কিছু পণ্য কিনেও নিয়েছি।”
প্রথমবারের মতো ঢাকার জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণে এ মেলার আয়োজন করা হয়। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত স্টল খোলা ছিল। মেলায় প্রতিদিনই দর্শনার্থীর ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকেই নতুন নতুন নকশার পাটপণ্য দেখে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
পাটপণ্যকে ঘিরে এমন আয়োজনকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, মেলার মাধ্যমে একদিকে যেমন ক্রেতাদের মধ্যে দেশীয় পণ্যের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে, তেমনি উদ্যোক্তারাও নতুন বাজার খুঁজে পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।
বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টার (জেডিপিসি) এ মেলার আয়োজন

