কুঁড়ার তেল
বাংলাদেশ থেকে রাইস ব্র্যান অয়েল বা কুঁড়ার তেল রপ্তানির ক্ষেত্রে আবারও নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক আরোপ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আজ বুধবার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে জানানো হয়, এখন থেকে কুঁড়ার তেল রপ্তানি করতে হলে ২০ শতাংশ হারে রেগুলেটরি ডিউটি (আরডি) বা নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক পরিশোধ করতে হবে। এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান প্রজ্ঞাপনে সই করেন।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কাস্টমস আইন ২০২৩ অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। পরিশোধিত ও অপরিশোধিত—উভয় ধরনের কুঁড়ার তেলের রপ্তানির ক্ষেত্রেই এ শুল্ক প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসায়ী দেশ থেকে ধানের কুঁড়া থেকে উৎপাদিত তেল বাইরে পাঠাতে চাইলে তাকে অতিরিক্ত ২০ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে।
এর আগে কুঁড়ার তেল রপ্তানির ওপর ২৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল। তবে সেই শুল্কের মেয়াদ গত জুলাই মাসে শেষ হয়ে যায়। এরপর থেকে রপ্তানি কার্যক্রম শুল্কমুক্ত ছিল। তবে কয়েক মাস ধরে বাংলাদেশ রাইস ব্র্যান অয়েল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা রপ্তানিতে নতুন করে নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক আরোপের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। তাদের দাবি ছিল, শুল্ক ছাড়া রপ্তানি চালু থাকলে স্থানীয় বাজারে তেলের সরবরাহে ঘাটতি তৈরি হতে পারে, যা ভোজ্যতেলের দাম বাড়িয়ে দেবে।
বাংলাদেশে ভোজ্যতেলের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ২২ থেকে ২৩ লাখ টন। এর মধ্যে ৯০ শতাংশই পূরণ করা হয় আমদানি করা অপরিশোধিত সয়াবিন ও পাম তেল স্থানীয়ভাবে পরিশোধনের মাধ্যমে। কুঁড়ার তেল এ চাহিদার তুলনায় স্বল্প হলেও ক্রমান্বয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বাংলাদেশ রাইস ব্র্যান অয়েল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে মোট ২১টি রাইস ব্র্যান অয়েল মিল কার্যক্রম চালাচ্ছে। এসব মিলের বার্ষিক উৎপাদনক্ষমতা প্রায় ৪ লাখ ৫৩ হাজার টন।
দেশে কুঁড়ার তেল উৎপাদনের যাত্রা শুরু হয় এক দশক আগে। ২০১১ সালে পাবনার ঈশ্বরদীতে রশিদ অয়েল মিলস লিমিটেড প্রথমবারের মতো “হোয়াইট গোল্ড” ব্র্যান্ড নামে কুঁড়ার তেল উৎপাদন করে বাজারজাত করে। এরপর ধীরে ধীরে বেশ কয়েকটি বড় শিল্পগোষ্ঠী এ খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী হয়। বর্তমানে দেশের বাà¦

