NBR
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দেশে আমদানি হওয়া ভোজ্যতেলের ওপর নতুন কর আরোপ করেছে। এতদিন সয়াবিন, সানফ্লাওয়ার, পাম ও ভুট্টার তেল আমদানিতে কোনো উৎসে কর ছিল না। এবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জানিয়েছে, এসব তেল আমদানির ক্ষেত্রে এখন থেকে ১ শতাংশ উৎসে কর দিতে হবে। সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পরিশোধিত ও অপরিশোধিত সয়াবিন তেল, ভ্যাট নিবন্ধিত ভোজ্যতেল পরিশোধন শিল্পের মাধ্যমে আমদানি হওয়া অপরিশোধিত তেল, সানফ্লাওয়ার বীজ ও তেল এবং ভুট্টার তেল—সব ধরনের ভোজ্যতেলেই এ কর আরোপ করা হয়েছে। অর্থাৎ এখন থেকে ব্যবসায়ীদের এসব তেল আমদানির সময় ১ শতাংশ কর দিতে হবে।
এর আগে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য হিসেবে ভোজ্যতেলের ক্ষেত্রে কোনো উৎসে কর নেওয়া হতো না। সরকারের এ সিদ্ধান্ত নতুনভাবে ভোজ্যতেল আমদানিকারক ও ভোক্তা উভয়ের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমায় দেশের বাজারে পাম তেলের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। আগস্টের মাঝপথে সরকার পাম তেলের দাম লিটারপ্রতি ১৯ টাকা কমিয়ে ১৬৯ টাকা থেকে ১৫০ টাকা করে। কিন্তু সয়াবিন তেলের দাম আগের মতোই লিটারপ্রতি ১৮৯ টাকা নির্ধারিত আছে।
চলতি বছরের ১৫ এপ্রিল সয়াবিন ও পাম তেলের নতুন দাম ঘোষণা করা হয়। তখন সয়াবিন তেলের দাম লিটারপ্রতি ১৪ টাকা বাড়িয়ে ১৮৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর আগে গত বছরের ৯ ডিসেম্বর এক লিটার বোতলের সয়াবিন তেলের দাম ১৭৫ টাকা থেকে বাড়ানো হয়েছিল।
অন্যদিকে, ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর পর ব্যবসায়ীদের দাবির মুখে সরকার কিছুটা ছাড়ও দিয়েছিল। দাম বৃদ্ধির একদিন পরই সয়াবিন তেলের আমদানিতে আগাম কর প্রত্যাহার করে নেয় এনবিআর। একই সুবিধা দেওয়া হয় অপরিশোধিত পাম তেল আমদানির ক্ষেত্রেও। এর আগে এ দুই ধরনের তেল আমদানির ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ আগাম কর (এটিভি) প্রযোজ্য ছিল।
নতুন সিদ্ধান্তে আবারও ভোজ্যতেলের ওপর কর আরোপ করায় বাজারে কী প্রভাব পড়বে তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণকর্মীদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলেও দেশে ভোজ্যতেলের দাম খুব একটা কমানো হচ্ছে না। তার ওপর আবার নতুন করে

