কঠোর কর্মসূচি
শ্রমিকদের হুঁশিয়ারি, দ্রুত বেতন না দিলে আরও কঠোর কর্মসূচি
রাজধানীর কুড়িলে আবারও বকেয়া বেতন না পাওয়ায় সড়ক অবরোধে নেমেছেন ইউরোজোন ফ্যাশন গার্মেন্টসের শ্রমিকরা। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরের পর থেকে শুরু হওয়া এ অবরোধে মুহূর্তেই অচল হয়ে পড়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক এবং আশপাশের সড়কগুলো। ফলে অফিসগামী যাত্রী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ পর্যন্ত চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরের কিছু পর কুড়িল চৌরাস্তা এলাকায় গার্মেন্টসটির প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ শ্রমিক একযোগে সড়কে নেমে আসেন। তারা মূল সড়ক দখল করে স্লোগান দিতে থাকেন বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবিতে। হঠাৎ এ ঘটনায় কুড়িল থেকে বাড্ডা ও বাড্ডা থেকে কুড়িলমুখী সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। একই সময়ে এয়ারপোর্ট রোডের ঢাকা-উত্তরা-ময়মনসিংহ হাইওয়ের উভয় লেনেই শ্রমিকরা বসে পড়েন, ফলে রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ত এই রাস্তায় কয়েক কিলোমিটারজুড়ে যানজট তৈরি হয়।
শ্রমিকরা অভিযোগ করেন, চলতি মাসের শুরুতেই তারা বকেয়া বেতনের দাবিতে আন্দোলন করেছিলেন। সে সময় কর্তৃপক্ষ আশ্বাস দিয়েছিল যে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হবে। কিন্তু নির্ধারিত তারিখে টাকা না পেয়ে বাধ্য হয়ে তারা আবারও রাস্তায় নেমেছেন। শ্রমিকদের অনেকেই বলেন, বেতন না পেয়ে তারা সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। এমনকি অনেকে ভাড়া দিতে না পেরে বাসা ছাড়ার মতো পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন।
অবরোধের কারণে যানবাহন বিকল্প পথে ঘুরিয়ে দেওয়া হলেও আশপাশের এলাকায় প্রচণ্ড চাপ তৈরি হয়। বাড্ডা, মহাখালী, উত্তরা ও রামপুরার সড়কগুলোতে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে লম্বা যানজট তৈরি হয়। অফিসগামী যাত্রী, শিক্ষার্থী এবং রোগী পরিবহন করা অ্যাম্বুলেন্সও আটকা পড়ে। বিশেষ করে মহাখালী থেকে বিমানবন্দরমুখী যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
এ বিষয়ে ট্রাফিক গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মাদ মিজানুর রহমান বলেন, “বেতন-ভাতার দাবিতে ইউরোজোন ফ্যাশন গার্মেন্টসের প্রায় ৫০০-৬০০ কর্মী কুড়িলে সড়ক অবরোধ করেছেন। এর ফলে উভয়মুখী যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। আমরা শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছি।”
শ্রমিক

