হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে টমেটো আমদানি শুরু
দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে প্রায় এক বছরেরও বেশি সময় পর আবারও ভারত থেকে টমেটো আমদানি শুরু হয়েছে। দীর্ঘ বিরতির পর নতুন করে এ আমদানি কার্যক্রম শুরু হওয়ায় সীমান্ত এলাকায় আমদানিকারক, ব্যবসায়ী এবং স্থানীয় বাজার সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে ভারতের নাসিক রাজ্য থেকে টমেটো বোঝাই একটি ট্রাক বন্দরে প্রবেশ করার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রমের পুনরায় সূচনা হয়।
হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ বিভাগের উপ-সহকারী কর্মকর্তা মো. ইউসুফ আলী গণমাধ্যমকে জানান, প্রথম দিনেই ২৮ টন টমেটো আমদানি হয়েছে। প্রতিকেজি টমেটো আমদানিতে শুল্ক, পরিবহন খরচ ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় মিলে ৬১ টাকা পর্যন্ত খরচ পড়ছে। তিনি বলেন, যেহেতু টমেটো একটি দ্রুত নষ্ট হওয়ার মতো কৃষিপণ্য, তাই বন্দরে যাতে আমদানি কার্যক্রমে কোনো ধরনের জটিলতা সৃষ্টি না হয় সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
আমদানিকারক চট্টগ্রামের একটি বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এনামুল হক বলেন, দেশের বাজারে টমেটোর চাহিদা বর্তমানে অনেক বেশি। অভ্যন্তরীণ উৎপাদনে ঘাটতি থাকায় এই সময়ে ভারত থেকে টমেটো আমদানি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, বন্দরে প্রতিকেজি টমেটো বর্তমানে ১০০ থেকে ১১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আমদানিকৃত টমেটো বাজারে সরবরাহ শুরু হলে ধীরে ধীরে দামও স্থিতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। এনামুল হক আরও বলেন, “যদি বাজারে চাহিদা অব্যাহত থাকে, তাহলে আমরা আরও বেশি পরিমাণ টমেটো আমদানির উদ্যোগ নেব।”
হিলি কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা নাজমুল হোসেন জানান, আমদানিকৃত টমেটোগুলো ৫০০ ডলারে শুল্কায়ণ করা হচ্ছে। যেহেতু এটি দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার মতো কাঁচাপণ্য, তাই দ্রুত ছাড়করণে আমদানিকারকদের সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, কাস্টমসের পক্ষ থেকে বিশেষ নজরদারি রাখা হয়েছে যাতে টমেটো দ্রুত বাজারে পৌঁছাতে পারে এবং ভোক্তারা উপকৃত হন।
হিলি স্থলবন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কার্যালয়ের তথ্যমতে, সর্বশেষ ২০২২ সালের ৬ আগস্ট এই বন্দর দিয়ে টমেটো আমদানি হয়েছিল। দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় পর পুনরায় টমেটো আমদানি শুরু হওয়ায় ব্যবসায়ীরা আশাবাদী যে

