Telecom
রবি ও বাংলালিংকের উদ্বেগ, গ্রামীণফোনের সমর্থন
সদ্য অনুমোদিত টেলিযোগাযোগ নীতিমালা নিয়ে দেশের শীর্ষ তিন মোবাইল অপারেটরের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। রবি ও বাংলালিংক বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেও গ্রামীণফোন এটিকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে।
রবি ও বাংলালিংকের অভিযোগ, সরকারের সঙ্গে আলোচনার সময় তাদের পক্ষ থেকে দেওয়া প্রস্তাবগুলো বিবেচনায় না নিয়েই এই নীতিমালা অনুমোদন করা হয়েছে। বিশেষ করে, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য সর্বোচ্চ অংশীদারত্ব ৮৫ শতাংশ নির্ধারণ এবং বাকি ১৫ শতাংশ স্থানীয়দের হাতে রাখতে হবে—এমন বাধ্যবাধকতার বিষয়টি তারা অগ্রহণযোগ্য বলে মনে করছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ বৃহস্পতিবার ‘টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক অ্যান্ড লাইসেন্সিং’ শীর্ষক এই নীতিমালা অনুমোদন করে। বৈঠক শেষে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানিয়ে বলেন, নতুন নীতিমালা সেক্টরে একক নিয়ন্ত্রণ কমাবে এবং মধ্যসত্ত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য হ্রাস করে সুলভ মূল্যে মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করবে।
তবে রবি তাদের বিবৃতিতে বলেছে, আলোচনার সময় দেওয়া কোনো প্রস্তাব প্রতিফলিত হয়নি। প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, “এই ঘাটতি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য হতাশাজনক, যাদের দীর্ঘমেয়াদে এই বাজারে বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি রয়েছে।” রবির প্রধান করপোরেট ও রেগুলেটরি কর্মকর্তা শাহেদ আলম আরও জানান, হঠাৎ করে দুই বছরের মধ্যে শেয়ার ছাড়তে হবে—এমন শর্ত তাদের জন্য সমস্যাজনক। তিনি বলেন, “আমাদের বাজারে ১৫ শতাংশ শেয়ার ধারণ করার মতো গভীরতা নেই। ফলে অংশীদার খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।”
বাংলালিংকও একই ধরনের উদ্বেগ জানিয়েছে। যদিও প্রতিষ্ঠানটি সক্রিয় নেটওয়ার্ক এবং স্পেকট্রাম ভাগাভাগির মতো ইতিবাচক দিকগুলোকে স্বাগত জানিয়েছে। তাদের মতে, বাধ্যতামূলক মালিকানা ছাড়ার বিধান বিদেশি বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত করতে পারে। তবুও তারা সরকারের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
অপরদিকে গ্রামীণফোন নীতিমালাটিকে খাতের জন্য একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরেছ

