SIM-cards
অতিরিক্ত বাতিলের সময়সীমা অক্টোবরের ৩০ তারিখ
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) নতুন নির্দেশনায় জানিয়েছে, একজন ব্যক্তির নামে সর্বোচ্চ ১০টির বেশি সিম ব্যবহার করা যাবে না। আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে গ্রাহকরা অতিরিক্ত সিম ‘ডি-রেজিস্টার’ না করলে সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। এ সিদ্ধান্তের ফলে প্রায় ২৬ লাখ গ্রাহকের নামে নিবন্ধিত বাড়তি ৬৭ লাখ সিম নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে।
বুধবার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় বিটিআরসি জানায়, গত মে মাসের কমিশন সভায় সিমের সর্বোচ্চ সংখ্যা ১৫ থেকে কমিয়ে ১০-এ আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ২০১৭ সালে একজন গ্রাহকের নামে সর্বোচ্চ ১৫টি সিম নিবন্ধনের সুযোগ ছিল। তবে দীর্ঘ পর্যালোচনার পর কমিশন মনে করেছে, একজন গ্রাহকের নামে এতগুলো সিম রাখা প্রয়োজন নেই।
বিটিআরসির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, জাতীয় নিরাপত্তা, অপারেটরদের মধ্যে অস্বাস্থ্যকর প্রতিযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক অনুশীলন বিবেচনায় সিমের সংখ্যা সীমিত করা হয়েছে। কারণ অতিরিক্ত সিম ব্যবহার অনেক সময় অপব্যবহার ও অনিয়মের ঝুঁকি তৈরি করে।
গ্রাহকরা *১৬০০১# ডায়াল করে সহজেই জেনে নিতে পারবেন, তাদের নামে মোট কতটি সিম নিবন্ধিত আছে। যাদের ১০টির বেশি সিম রয়েছে, তারা সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের কাছে গিয়ে অতিরিক্ত সিম ‘ডি-রেজিস্টার’ করতে পারবেন। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে পদক্ষেপ না নিলে কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী অতিরিক্ত সিম বন্ধ করে দেওয়া হবে।
বিটিআরসির মে মাসের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে সক্রিয় সিম ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৬ কোটি ৭৫ লাখ ৯২ হাজার। তবে বিক্রি হওয়া সিমের সংখ্যা ১৮ কোটি ৬২ লাখ। এসব গ্রাহকের মধ্যে প্রায় ৮০ দশমিক ৩২ শতাংশের নামে পাঁচটি বা তার কম সিম রয়েছে। পাঁচ থেকে ১০টি সিম রয়েছে ১৬ দশমিক ৩২ শতাংশ গ্রাহকের নামে, আর ১১ থেকে ১৫টি সিম রয়েছে মাত্র ৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ গ্রাহকের নামে। অর্থাৎ অধিকাংশ গ্রাহকের সিম সংখ্যা স্বাভাবিক সীমার মধ্যেই আছে।
কমিশনের কার্যবিবরণীতে আরও উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে দেশে মাসে গড়ে প্রায় ৫০ লাখ নতুন সিম বিক্রি হয়। এর মধ্যে কিছু অসাধু খুচরা বিক্রেতা গ্রাহকের বায়োমেট্রিক তথ্য, বিশেষ করে আঙুলের ছাপ, সংরক্ষণ করে একাধিক সি

