পাগলা মসজিদ
কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১২ কোটি টাকা
কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের দানবাক্সে আবারও গড়া হলো নতুন ইতিহাস। শনিবার (৩০ আগস্ট) সকালে খোলা হয় মসজিদের ১৪টি দানবাক্স। সারাদিনের গণনা শেষে রাতে জানানো হয়—দানবাক্স থেকে উঠেছে নগদ ১২ কোটি ৯ লাখ ৩৭ হাজার ২২০ টাকা, পাশাপাশি মিলেছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মিজাবে রহমত রাতে গণনা শেষে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। পুরো প্রক্রিয়ায় অংশ নেন মসজিদ পরিচালনা কমিটি, স্থানীয় মাদরাসা ও এতিমখানার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ প্রায় ৫০০ জন। কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই চলে দানবাক্স খোলা ও অর্থ গণনার কাজ। তদারকি করেন জেলা প্রশাসক ও মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী এবং স্থানীয় রাজনৈতিক-ধর্মীয় নেতারা।
এটি এ বছরের দ্বিতীয়বার দানবাক্স খোলা হলো। এর আগে গত ১২ এপ্রিল মসজিদের ১১টি দানবাক্স থেকে রেকর্ড ৯ কোটি ১৭ লাখ টাকা পাওয়া গিয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী, তিন থেকে চার মাস অন্তর দানবাক্স খোলা হয়।
মসজিদ পরিচালনা কমিটির তথ্য অনুযায়ী, সংগৃহীত অর্থ ব্যয় হয় মসজিদ কমপ্লেক্স, জেলার বিভিন্ন মাদরাসা ও এতিমখানা, সমাজকল্যাণমূলক উদ্যোগ এবং অসুস্থ-অসহায় মানুষের চিকিৎসা সহায়তায়। বর্তমানে মসজিদের নামে রয়েছে ১৩টি ব্যাংক হিসাব, যেখানে জমা অর্থের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১০৩ কোটি টাকা। এ অর্থের বেশিরভাগই ফিক্সড ডিপোজিটে রাখা আছে, যার সুদ দিয়ে চলে কল্যাণমূলক কার্যক্রম।
দান থেকে প্রাপ্ত অর্থ কাজে লাগিয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের ‘পাগলা মসজিদ ইসলামিক কমপ্লেক্স’। এতে প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১১৫ কোটি টাকা। কমপ্লেক্সটি সম্পন্ন হলে একইসঙ্গে ৬০ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন।
কিশোরগঞ্জ শহরের হারুয়া এলাকায় নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত পাগলা মসজিদ প্রায় শতবর্ষ প্রাচীন। জনশ্রুতি অনুযায়ী, এক আধ্যাত্মিক সাধকের নামানুসারে এর নামকরণ। দেশের অন্যতম জনপ্রিয় এই মসজিদে মানত পূরণের জন্য ভক্তরা নগদ অর্থ, স্বর্ণ, বৈদà

