Medicine prices
জীবন রক্ষাকারী ওষুধের দাম সরকার নির্ধারণে হাইকোর্টের নির্দেশ
জীবন রক্ষাকারী ওষুধের মূল্য নির্ধারণে সরকারকেই চূড়ান্ত কর্তৃপক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে বলে রায় দিয়েছে হাইকোর্ট। পাশাপাশি এসব ওষুধের দাম গেজেট আকারে প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালত মনে করেছে, নাগরিকের জীবনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত পণ্যের মূল্য বেসরকারি উৎপাদনকারীদের হাতে ছেড়ে দেওয়া সংবিধানসিদ্ধ অধিকার ক্ষুণ্ন করে।
সাত বছরের পুরোনো রিটের নিষ্পত্তি
সোমবার (২৫ আগস্ট) বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। সাত বছর আগে দায়ের হওয়া এই রিট মামলার দীর্ঘ শুনানির পর চূড়ান্ত রায় আসে।
রিটটি করেছিল মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি)। সংগঠনের পক্ষে রিট দায়ের করেছিলেন অ্যাডভোকেট মো. ছারওয়ার আহাদ চৌধুরী। শুনানিতে পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ, তাকে সহায়তা করেন অ্যাডভোকেট সঞ্জয় মন্ডল।
অন্যদিকে, ওষুধ মালিক সমিতির পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস কে মোরশেদ এবং রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দ এজাজ করিব।
সরকারের হাতে নিয়ন্ত্রণের বিধান
১৯৮২ সালের ঔষধ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ অনুযায়ী ওষুধের দাম নির্ধারণের একক ক্ষমতা সরকারের। এর ভিত্তিতে ১৯৯৩ সালে সরকার ৭৩৯টি ওষুধের দাম নির্ধারণ করে গেজেট প্রকাশ করে।
কিন্তু পরের বছর, ১৯৯৪ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় একটি সার্কুলার জারি করে। সেখানে বলা হয়, কেবল ১১৭টি ওষুধের দাম সরকার ঠিক করবে, আর তালিকার বাইরে থাকা বাকি ওষুধের দাম নির্ধারণ করবে উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলো।
এই সিদ্ধান্তকে জনস্বার্থবিরোধী উল্লেখ করে ২০১৮ সালে এইচআরপিবি হাইকোর্টে রিট দায়ের করে। আদালত তখন রুল জারি করে জানতে চেয়েছিল, ওই সার্কুলার কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না।
আদালতের পর্যবেক্ষণ
রুলের চূড়ান্ত শুনানিতে আদালত পর্যবেক্ষণ দেয়—
ওষুধ জীবনধারণেà¦

