digital_banks
বাংলাদেশ ব্যাংক ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্সের জন্য নতুন করে আবেদন আহ্বান করেছে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন জমা নেওয়া হবে। সোমবার (২৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ ব্যাংকের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ঘোষণায় এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে ২০২৩ সালের জুনে প্রথমবারের মতো ডিজিটাল ব্যাংকের নীতিমালা অনুমোদন করে বাংলাদেশ ব্যাংক। তখন আবেদন আহ্বান করলে ৫২টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করে, যার মধ্যে প্রাথমিক যাচাই-বাছাই শেষে ৯টি প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স দেওয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’ ও এসিআই গ্রুপের ‘কড়ি’। তবে তাদেরকে দেওয়া হয়েছিল অস্থায়ী বা প্রাথমিক লাইসেন্স। এবার পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক লাইসেন্স পেতে চাইলে তাদেরকেও নতুন করে আবেদন করতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান জানান, “আগে যারা আবেদন করেছে তাদের আবার আবেদন করতে হবে। যারা অস্থায়ী লাইসেন্স পেয়েছিল, তারাও যদি পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করতে চায়, তবে আবেদন করতে হবে।”
মূলধন বাড়লো দ্বিগুণের বেশি
নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য ন্যূনতম পরিশোধিত মূলধন ৩০০ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগে এ পরিমাণ ছিল ১২৫ কোটি টাকা। ফলে মূলধন বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি।
তবে এখনো এটি প্রচলিত ব্যাংকের মূলধনের চেয়ে কম। বর্তমানে একটি বাণিজ্যিক ব্যাংকের লাইসেন্স পেতে উদ্যোক্তাদের ন্যূনতম ৫০০ কোটি টাকা মূলধন রাখতে হয়।
এছাড়া আবেদন প্রক্রিয়ায় ফি হিসেবে ৫ লাখ টাকা (অফেরতযোগ্য) জমা দিতে হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকলে আবেদন বাতিল হবে বলেও জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে গুরুত্ব
বাংলাদেশ ব্যাংক মনে করে, বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থায় ডিজিটাল উদ্ভাবনের গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র ও ছোট উদ্যোক্তাদের আর্থিক সেবার আওতায় আনতে ডিজিটাল ব্যাংক কার্à

