শেয়ার বাজার
সূচক ও লেনদেন উভয়ই বেড়েছে
গত সপ্তাহে দেশের শেয়ারবাজারে সূচকে মিশ্র প্রবণতা দেখা গেলেও সপ্তাহ শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ইতিবাচক ধারায় লেনদেন শেষ হয়েছে। সপ্তাহের প্রথম দুই কার্যদিবসে সূচক বাড়লেও পরবর্তী তিন কার্যদিবসে সূচক কিছুটা কমে যায়। তবুও সার্বিকভাবে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ০ দশমিক ৪৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৫ হাজার ৩৭৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
সূচক ও লেনদেনের চিত্র
ডিএসইর সাপ্তাহিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগের সপ্তাহের তুলনায় সূচকটি ২৪ দশমিক ৭১ পয়েন্ট বেড়েছে। নির্বাচিত ৩০ কোম্পানির সূচক ডিএস–৩০ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৮৯ পয়েন্টে এবং শরিয়াহভিত্তিক সূচক ডিএসইএস বেড়ে ১ হাজার ১৮০ পয়েন্টে পৌঁছেছে।
সপ্তাহজুড়ে মোট ৩৯৪টি সিকিউরিটিজ লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে দর বেড়েছে ২৪১টির, কমেছে ১২৯টির এবং অপরিবর্তিত থেকেছে ২৪টির। বাজারের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে বেক্সিমকো ফার্মা, বীকন ফার্মা, ওরিয়ন ইনফিউশন, কোহিনূর কেমিক্যালস এবং ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ।
লেনদেনের পরিমাণও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। সপ্তাহজুড়ে মোট ৪ হাজার ৫৩৫ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ৩১ দশমিক ৬২ শতাংশ বেশি।
খাতভিত্তিক পরিস্থিতি
খাতভিত্তিক লেনদেনে শীর্ষে ছিল ওষুধ ও রসায়ন খাত, যা মোট লেনদেনের ১৮ দশমিক ৬১ শতাংশ দখলে রেখেছে। এরপর স্থান করে নিয়েছে ব্যাংক খাত (১১.৬৭%), বস্ত্র (১১.৫২%), প্রকৌশল (৮.৯৪%) এবং খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাত (৮.৫৯%)।
তবে সব খাত সমানভাবে ভালো করেনি। ব্যাংক খাত ২ দশমিক ১৮ শতাংশ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাত ১ দশমিক ৫৮ শতাংশ এবং টেলিযোগাযোগ খাত ১ দশমিক ৪৫ শতাংশ নেতিবাচক রিটার্ন দিয়েছে। একইসঙ্গে মিউচুয়া

