লাক্সারি হোটেল
বাড়ছে বিদেশী বিনিয়োগ
কভিড মহামারীর সময় খালি হয়ে যাওয়া সিউলের হোটেল খাত এখন নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে। অতিথির অভাবে যেসব হোটেল বন্ধ হয়ে গিয়েছিল বা অফিস স্পেসে রূপান্তর হয়েছিল, সেগুলো আবার সচল হচ্ছে বিদেশী পর্যটকের আগমনে। ফলে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানীতে হোটেল খাতে দেশী-বিদেশী বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়ছে। এর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে বিশ্বখ্যাত লাক্সারি হোটেল ব্র্যান্ডগুলো।
কোরিয়া ট্যুরিজম অর্গানাইজেশনের তথ্য বলছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ৮৮ লাখ ৩০ হাজার পর্যটক কোরিয়া সফর করেছেন। যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১১ লাখ ২০ হাজার বেশি। মহামারীর পর এই খাত শুধু পুনরুদ্ধারই হয়নি, বরং মহামারী-পূর্ব সময়ের চেয়েও ১০৪ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধির ইঙ্গিত মিলেছে।
আগামী কয়েক বছরের মধ্যে সিউল ও আশপাশে একাধিক আন্তর্জাতিক হোটেল ব্র্যান্ডের কার্যক্রম শুরু হবে। ২০২৭ সালে চালু হবে রোজউড সিউল এবং সিঙ্গাপুরভিত্তিক ক্যাপেলা হোটেলস অ্যান্ড রিসোর্টসের ক্যাপেলা রেসিডেন্সেস সিউল। একই বছর কোরিয়ায় প্রবেশ করবে বিলাসবহুল সেবার জন্য পরিচিত আমান গ্রুপের জানু, যার দুটি ফ্র্যাঞ্চাইজি থাকবে সিউল ও জেজু দ্বীপে। ২০২৯ সালে সিউল স্টেশনের উন্নয়ন প্রকল্পে উদ্বোধন হবে ম্যান্ডারিন ওরিয়েন্টাল হোটেল, আর ২০৩১ সালে সেবা শুরু করবে রিটজ-কার্লটন।
স্থানীয় রিয়েল এস্টেট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একসময় সিউলে লাক্সারি হোটেলের ঘাটতি স্পষ্ট ছিল। এখন আন্তর্জাতিক পর্যটক ও দেশীয় ধনী জনগোষ্ঠীর খরচ প্রবণতা খাতটিকে আমূল পরিবর্তন করছে। তবে শুধু বিলাসবহুল হোটেল নয়, চার তারকা বা মধ্যম মানের হোটেলেও বিদেশী বিনিয়োগ বাড়ছে, কারণ এসব হোটেলের লাভজনকতা তুলনামূলক বেশি।
বৈশ্বিক রিয়েল এস্টেট প্রতিষ্ঠান জেএলএলের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর সিউলে মাঝারি মানের হোটেলের প্রতি রুম থেকে আয় বেড়েছে ২৩ দশমিক ৪ শতাংশ, যেখানে লাক্সারি হোটেলের ক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি ছিল ১৪ দশমিক ৪ শতাংশ। এ প্রেক্ষাপটে বিনিয়োগকারীরাও ঝুঁকছেন এ খাতে।
গত জুলাইয়ে মার্কিন বিনিয়োগ ব্যাংক গোল্ডম্যান স্যাকস স্থানীয় প্রতিষ্ঠান জেবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে অংশীদার হয়ে কিনে নিয়েছে মাঝারি মানের মার্কারি অ্যাম্বাসেডà¦

