ক্রিপ্টোকারেন্সি
বাড়ছে ফ্যামিলি অফিসের বিনিয়োগ
এশিয়ার ধনীরা দ্রুতগতিতে ক্রিপ্টোকারেন্সি খাতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছেন, বিশেষ করে ফ্যামিলি অফিসের মাধ্যমে। খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, মূলধারায় ক্রিপ্টোর গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি, গুরুত্বপূর্ণ বাজারগুলোয় সহায়ক নীতি এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ঘিরে আশাবাদ এই প্রবণতাকে ত্বরান্বিত করেছে। — খবর রয়টার্স।
সম্পদ ব্যবস্থাপকরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে উচ্চ আয়ের এশীয় বিনিয়োগকারীরা ক্রিপ্টো খাতে অধিক অংশীদারিত্ব চাইছেন। এর প্রভাব পড়ছে এক্সচেঞ্জগুলোর লেনদেনে এবং ক্রিপ্টোর চাহিদা বাড়াচ্ছে উল্লেখযোগ্যভাবে।
কভিড মহামারীতে ধসে পড়া সিউলের হোটেল খাত আবারও ঘুরে দাঁড়িয়েছে। বিদেশী পর্যটকের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় দেশী-বিদেশী বিনিয়োগকারীরা নতুন করে আগ্রহ দেখাচ্ছেন, বিশেষ করে লাক্সারি ও মাঝারি মানের হোটেলে। রোজউড, ক্যাপেলা, জানু, ম্যান্ডারিন ওরিয়েন্টাল ও রিটজ-কার্লটনের মতো বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ড আগামী বছরগুলোতে সিউলে হোটেল চালু করবে। তবে তুলনামূলক বেশি মুনাফার কারণে বিনিয়োগকারীরা চার তারকা হোটেলকেও সমান গুরুত্ব দিচ্ছেন। সাম্প্রতিক সময়ে গোল্ডম্যান স্যাকস ও জিআইসির মতো প্রতিষ্ঠানের শত কোটি ডলারের চুক্তি এ খাতের উত্থানের প্রমাণ দিচ্ছে।
তিনি বলেন, “আমাদের বিনিয়োগকারীরা মূলত ফ্যামিলি অফিস ও ইন্টারনেট বা ফিনটেক উদ্যোক্তা। এতে বোঝা যায় বৈচিত্র্যময় পোর্টফোলিওতে ডিজিটাল সম্পদের গুরুত্ব কতটা বাড়ছে।”
এদিকে সুইস বিনিয়োগ ব্যাংক ইউবিএস জানিয়েছে, বিদেশে অবস্থিত কিছু চীনা ফ্যামিলি অফিস তাদের পোর্টফোলিওতে ক্রিপ্টো বিনিয়োগ প্রায় ৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। ইউবিএস চায়নার ওয়েলথ ম্যানেজমেন্ট প্রধান লু জিজিয়ে বলেন, “অনেক ফ্যামিলি অফিসের দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রজন্ম ভার্চুয়াল মুদ্রা সম্পর্কে জানতে চাইছে এবং তারা বিনিয়োগ শুরু করেছে।”
গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জয় এবং সাম্প্রতিক সময়ে দেশটিতে ‘জিনিয়াস অ্যাক্ট’ পাস হওয়ায় ক্রিপ্টো বাজারে নতুন জোয়ার দেখা দিয়েছে। এশিয়ার ধনীদের আগ্রহ বাড়াতে হংকংয়ের নতুন স্টেবলকয়েন আইনও গুরুত্বপূর্à

