biman-wheel
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবহৃত ১০টি উড়োজাহাজের চাকা নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় বিমানবন্দর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে। বিষয়টি ঘিরে ইতোমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী এয়ারলাইন্সটি।
সোমবার (১৯ আগস্ট) বিমানের সহকারী ব্যবস্থাপক (নিরাপত্তা) মোশারেফ হোসেন বিমানবন্দর থানায় একটি জিডি দায়ের করেন। সেখানে উল্লেখ করা হয়, গত ১৬ আগস্ট সন্ধ্যায় শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের হ্যাঙ্গার কমপ্লেক্সের পাশে অকশন শেডে রাখা ১০টি ‘আনসার্ভিসেবল টায়ার’ আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
পরে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, বিমানের ম্যাটেরিয়াল ম্যানেজমেন্ট সুপারভাইজার আরমান হোসেন ও স্টোর হেলপার সামসুল হক চাকারগুলো ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের কর্মকর্তা শফিকুল ইসলামের কাছে দিয়েছেন। তবে এ বিষয়ে কোনো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়নি।
একজন বিমান কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, প্রতিটি চাকাই প্রায় পাঁচ থেকে ১৫ হাজার মার্কিন ডলার মূল্যের। সেই হিসাবে নিখোঁজ হওয়া চাকাগুলোর দাম দাঁড়ায় প্রায় এক কোটি টাকা।
বিমানবন্দর থানার ওসি তাসলিমা আক্তার জানিয়েছেন, চাকা হারানোর বিষয়ে বিমানের পক্ষ থেকে জিডি হয়েছে। পুলিশ বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিচ্ছে।
বারবার যান্ত্রিক ত্রুটি, প্রশ্নবিদ্ধ রক্ষণাবেক্ষণ
এর আগে এক মাসের মধ্যে অন্তত আটবার বিমানের বোয়িং উড়োজাহাজে যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দিয়েছে। কখনো চাকা ফেটে যাওয়া, কখনো টেকনিক্যাল সমস্যার কারণে ফ্লাইট বিলম্ব বা বাতিল হয়েছে। এতে যাত্রী ভোগান্তি বেড়েছে, আর রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
তদন্ত কমিটি ও ব্যবস্থা
ঘটনাগুলো পর্যালোচনার জন্য বিমান ইতোমধ্যেই চার সদস্যের উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তারা প্রতিটি ফ্লাইটের রক্ষণাবেক্ষণ রেকর্ড ও অপারেশনাল প্রসেস যাচাই করবে। কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর অবহেলা প্রমাণিত হলে তাদের দায় নির্ধারণ করা হবে।
এ ছাড়া কয়েকজন প্রকৌশলী ও কর্মকর্তা বদলি এবং কারণ দর্শানোর নোটিস পেয়েছেন। চাকা-সংক্রান্ত সমস্যায় জেদ্দà

