জীবাণুমুক্তকরণ সেবা কেন্দ্র
জীবাণুমুক্তকরণ সেবা বন্ধে মসলা ও ওষুধ রপ্তানিতে বড় ধাক্কা
পণ্য জীবাণুমুক্ত করার সরকারি সেবা বন্ধ থাকায় মসলা, পশুখাদ্য ও চিকিৎসাসামগ্রীর রপ্তানি কমে গেছে অর্ধেকেরও বেশি। উন্নত দেশগুলোতে এসব পণ্য পাঠানোর আগে গামা তেজস্ক্রিয়তার মাধ্যমে জীবাণুমুক্ত করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু সাভারের পরমাণু শক্তি গবেষণাপ্রতিষ্ঠানের আওতাধীন ইনস্টিটিউট অব রেডিয়েশন অ্যান্ড পলিমার টেকনোলজি (আইআরপিটি) ২০২৩ সালের নভেম্বরে কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ায় রপ্তানিকারকদের বড় ধরনের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
২০০৯ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে এ সেবা দিয়ে আসছিল আইআরপিটি। বর্তমানে বিকল্প হিসেবে ইনস্টিটিউট অব ফুড অ্যান্ড রেডিয়েশন বায়োলজি (আইএফআরবি) সীমিত আকারে সেবা দিচ্ছে। তবে এ প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা কম হওয়ায় সময়মতো সেবা মিলছে না, ফলে বিদেশি বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের চাহিদা থাকলেও রপ্তানি কমে যাচ্ছে।
প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পরিচালক (বিপণন) কামরুজ্জামান কামাল বলেন, “প্রতি মাসে আমরা ৮০০ থেকে ৯০০ টন মসলা রপ্তানি করি। যুক্তরাষ্ট্রে মাসে গড়ে ১০ টন চাহিদা থাকলেও জীবাণুমুক্তকরণ সেবার ঘাটতির কারণে এখন মাত্র ৫ টন রপ্তানি করতে পারছি। অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রে আমাদের রপ্তানি অর্ধেক কমে গেছে।”
একই অভিযোগ স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজেরও। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা পারভেজ সাইফুল জানান, “গত ফেব্রুয়ারির ক্রয়াদেশ এখনো পাঠানো সম্ভব হয়নি। এক কনটেইনারে সাধারণত ২৬ টন মসলা পাঠানো যায়, কিন্তু যথাসময়ে তেজস্ক্রিয়তা সেবা না পাওয়ায় মাত্র ১৩ টন পাঠাতে পেরেছি।”
সরকারি তথ্য বলছে, ২০২১-২২ অর্থবছরে আইআরপিটির মাধ্যমে ২ লাখ ৪৬ হাজার কেজি মসলা জীবাণুমুক্ত করা হয়েছিল। ২০২২-২৩ অর্থবছরে তা নেমে আসে ৯৬ হাজার কেজিতে। আইআরপিটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কিছুটা বেড়ে দাঁড়ায় ১ লাখ ১১ হাজার কেজিতে। স্কয়ার ফুড জানায়, ২০২১ সালে তারা ১৭২ টন মসলা জীবাণুমুক্ত করে রপ্তানি করেছিল, যা ২০২৩ সালে কমে দাঁড়ায় মাত্র ১৪ টনে।
ফার্মাসিউটিক্যাল খাতেও

