এনবিআর
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) আন্দোলনের ঘটনায় একের পর এক ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার। প্রথম ধাপে চারজন এবং সর্বশেষ ধাপে আরও পাঁচজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ নিয়ে সোমবার (১৮ আগস্ট) পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে মোট নয়জন কর্মকর্তাকে চাকরির দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ।
দ্বিতীয় ধাপে পাঁচ কর্মকর্তা বরখাস্ত
সোমবার জারি করা দ্বিতীয় প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গত মে-জুনে অনুষ্ঠিত আন্দোলনে ‘সংগঠকের ভূমিকা’ রাখার অভিযোগে পাঁচজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এদের মধ্যে আছেন—
- অতিরিক্ত কর কমিশনার সেহেলা সিদ্দিকা
- অতিরিক্ত কর কমিশনার সুলতানা হাবীব
- যুগ্ম কর কমিশনার মো. মেসবাহ উদ্দিন খান
- যুগ্ম কর কমিশনার মো. মামুন মিয়া
- কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি)-এর পরিচালক চাঁদ সুলতানা চৌধুরানী
বরখাস্তের পর তাদের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রথম দফায় চার কর্মকর্তা বহিষ্কার
এর আগে আন্দোলনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগে কাস্টমস ক্যাডারের চার কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও একই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তারা হলেন—
- অতিরিক্ত কমিশনার আবুল আ’লা মোহাম্মদ আমীমুল ইহসান খান
- অতিরিক্ত কমিশনার সাধন কুমার কুন্ডু
- যুগ্ম কমিশনার মো. সানোয়ারুল কবির
- উপ কমিশনার মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম
আন্দোলনের পটভূমি
গত মে-জুন মাসে এনবিআরের অভ্যন্তরে একদল কর্মকর্তা পদোন্নতি, পদায়ন ও নানা প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করে আন্দোলনে নামেন। তারা দাবি করেন, ক্যাডারভিত্তিক বৈষম্য, বদলি নীতিমালা এবং পদোন্নতিতে অনিয়ম তাদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভকে উসকে দিয়েছে।
তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, রাজস্ব প্রশাসনের মতো সংবেদনশীল প্রতিষ্ঠানে অস্থিরতা সৃষ্টি করাই এ আন্দোলনের উদ্দেশ্য ছিল। ফলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া আর কোনো বিকল্প ছিল না।
কঠোর বার্তা প্রশাসনের
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, একের পর এক সাময়িক বরখাস্ত সরকারের পক্ষ থেকে একটি কঠোর বার্তা, যাতে ভবিষ্যতে কোনো কর্মক

