একযোগে ত্রুটি ও বিলম্বে নতুন বহর কেনা নিয়ে সংশয়
২৫টি নতুন বোয়িং কেনার আলোচনা চলছে ঠিক এমন সময়ে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে থাকা বোয়িং উড়োজাহাজগুলো একের পর এক যান্ত্রিক ত্রুটিতে পড়ছে। গত ২৮ দিনে আটটি বোয়িং ও একটি ড্যাশ-৮ উড়োজাহাজে এমন ত্রুটি ধরা পড়েছে, যার ফলে যাত্রা শুরুর পরপরই ফ্লাইটগুলোকে ফিরে আসতে হয়েছে কিংবা ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিলম্বে উড়তে হয়েছে।
এতে যাত্রীসেবায় ব্যাঘাত ঘটার পাশাপাশি সময়সূচি ধরে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে বিমান। মঙ্গলবার কুয়েত ও দুবাইয়ের ফ্লাইট বাতিল করে বুধবারের সময় ঘোষণা করা হয়। বুধবারও অন্তত চারটি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বিলম্বিত হয়।
ফ্লাইট বিলম্বের তালিকায় ছিল মদিনাগামী (বিজি-২৩৭) ও দুবাইগামী দুটি উড়োজাহাজ—দুটোই চার ঘণ্টা দেরিতে ছাড়ে। জেদ্দা ফ্লাইট বিলম্ব হয় আধা ঘণ্টা, কুয়েত ফ্লাইট দেড় ঘণ্টা।
বিমান সূত্রে জানা যায়, ২১টি উড়োজাহাজের বহরে থাকা ১৬টি বোয়িংয়ের বয়স ৮ থেকে ১৪ বছরের মধ্যে। পুরনো হওয়ায় মেকানিক্যাল, ইলেকট্রিক্যাল ও হাইড্রোলিক যন্ত্রাংশে ক্ষয় দেখা দিচ্ছে। পাশাপাশি রক্ষণাবেক্ষণে দক্ষতার ঘাটতি, যন্ত্রাংশের অভাব এবং বিদেশে ত্রুটি ধরা পড়লে মেরামতে দীর্ঘ সময় লাগার বিষয়টিও এসব ঘটনার কারণ হিসেবে উঠে এসেছে।
বিমান জনসংযোগ শাখার মহাব্যবস্থাপক এ বি এম রওশন কবীর স্বীকার করেছেন, ঘটনাগুলো অল্প সময়ের মধ্যে ঘটায় বিষয়টি অস্বাভাবিক মনে হচ্ছে। তবে প্রতিটি ত্রুটিই ভিন্ন এবং একই ধরনের সমস্যা পুনরাবৃত্তি হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।
অন্যদিকে, বিমানের সাবেক পরিচালক পর্ষদ সদস্য কাজী ওয়াহেদুল আলম মনে করেন, বহরের বয়সী উড়োজাহাজগুলো রক্ষণাবেক্ষণে দক্ষ জনবল ও পেশাদার নেতৃত্ব প্রয়োজন। “আমলাতান্ত্রিক কাঠামোর মধ্যে এয়ারলাইন পরিচালনা সম্ভব নয়,” বলেন তিনি।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক চাপ কমাতে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ২৫টি বোয়িং কেনার ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু বিমানের ভেতরে নতুন বহর সামলানোর পরিকল্পনা এখনও চূড়ান্ত হয়নি বলে স্বীকার করেছেন একাধিক কর্মকর্তা। এরই মধ্যে যাত্রীসেবা সচল রাখতে দু’টি উড়োজাহাজ ভাড়ায় নেওয়ার প্রক্

