ছবি: সংগৃহীত
তাইওয়ানে চিপ শিল্পে বিদেশি তরুণদের আগ্রহ বাড়াতে গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ
সাদা সুরক্ষাবস্ত্র ও মুখে মাস্ক পরে মনোযোগ দিয়ে একজন গাইডের কথা শুনছিলেন ১৬ বছর বয়সী নিকোলাস চুয়েহ। তিনি দেখতে পান কীভাবে রূপালি রঙের আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে তাইওয়ানে উচ্চমানের সেমিকন্ডাক্টর তৈরি করা হয়।
সিঙ্গাপুরে বসবাসরত তাইওয়ান-বেলজিয়ামের এই শিক্ষার্থীসহ আটটি দেশের তরুণরা অংশ নিয়েছে তাইওয়ানে আয়োজিত এক গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে। ভবিষ্যতের চিপ শিল্পের জন্য দক্ষ কর্মী গড়ে তুলতেই এ উদ্যোগ নিয়েছে দেশটি।
তাইওয়ানে চিপ ডিজাইন ও উৎপাদনে আগ্রহী তরুণদের জন্য চালু হয়েছে এ ধরনের প্রশিক্ষণ ক্যাম্প ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের কোর্স। দেশের জন্মহার হঠাৎ করে কমে যাওয়ায় ভবিষ্যতে বড় কর্মী সংকট হতে পারে—এ আশঙ্কা থেকেই নতুন প্রজন্মকে প্রযুক্তি শিক্ষায় দক্ষ করে তুলতে চায় তাইওয়ান।
চিপপ্রযুক্তিতে আগ্রহ থেকেই এই ক্যাম্পে অংশ নিয়েছেন চুয়েহ। তিনি বলেন, “আমি ভিডিও গেম খেলতে খুব পছন্দ করি। সব সময় চিপ-নির্ভর যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে এসেছি।” তার এই আগ্রহ দেখেই মা-বাবা তাকে ক্যাম্পে পাঠিয়েছেন।
এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজক যুক্তরাষ্ট্রের চিপ ডিজাইন সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান ‘সিনোপসিস’। প্রতিষ্ঠানটি এবারই প্রথমবারের মতো ইংরেজি ও ম্যান্ডারিন ভাষায় প্রশিক্ষণ চালু করেছে। একাধিক ইউনিভার্সিটি ও চিপ কোম্পানি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এমন অনেক ক্যাম্প আয়োজন করেছে।
সিনোপসিস তাইওয়ানের চেয়ারম্যান রবার্ট লি বলেন, “শৈশব থেকেই বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত শিক্ষায় জোর দিতে হবে। এই ক্যাম্পগুলো তরুণদের মধ্যে চিপ শিল্পে আগ্রহ বাড়াবে এবং প্রযুক্তিনির্ভর কর্মীশক্তি গঠনে ভূমিকা রাখবে।”
তাইওয়ানে জন্মহার কমে যাওয়ার ফলে ভবিষ্যতে কর্মীর অভাব দেখা দিতে পারে বলেও মনে করেন তিনি। “তাইওয়ান চিপ শিল্পে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে, কিন্তু জন্মহার হ্রাসের কারণে আমাদের এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে,” বলেন লি।
সিনোপসিস ভবিষ্যতà§

